Published : 01 Jan 2026, 03:09 PM
১. মুঠোফোন থেকে দূরে থাকার পর অনুভব করলাম, হাতে অফুরন্ত সময়। প্রথম কাজ হলো নিজের জীবনবৃত্তান্ত (রেজুমি) ঝালিয়ে নেওয়া এবং পেশাগত জীবনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। বিভিন্ন সংস্থায় চাকরির জন্য আবেদন করতে শুরু করলাম। প্রায় সাড়ে চার মাস পর স্বপ্নের চাকরিটা পেয়ে গেলাম! নতুন চাকরিতে আমার বেতন ৮০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। দ্বিধা ছাড়াই বলছি, আমার বর্তমান বেতন ২ লাখ ২৪ হাজার কানাডীয় ডলার। ২. ২০২৫ সালের শুরুতে যখন প্রথম কনটেন্ট তৈরি করি, নিজেকে ভিডিওতে দেখে খুবই অস্বস্তি লাগছিল। কিন্তু আপনাদের ভালোবাসায় দেখলাম, সেটি আপনাদের ভালো লেগেছে। আমার অষ্টম কনটেন্ট ভাইরাল হলো এবং ফলোয়ার সংখ্যা ২০০ থেকে বেড়ে ৫০ হাজারে পৌঁছে গেল! এরপর থেকে মাঝে মাঝেই আমার কনটেন্ট ভাইরাল হতে থাকে। বর্তমানে আমার ১ লক্ষ ৬৯ হাজার ফলোয়ার রয়েছে। আরও পড়ুনশিশুরা ঘুমের মধ্যে কেন লেপ-কম্বল ফেলে দেয়, তার সমাধান কী? ২ ঘণ্টা আগে ৩. ২০২৫ সালে আমি ২৪টি থেরাপি সেশন শেষ করেছি। আর আজ আমি অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে সুখী ও নির্ভার বোধ করছি। আমার ২৯ বছরে জমা হওয়া সকল ভার থেকে আমি মুক্তি পেয়েছি। নিজেকে ক্ষমা করতে শিখেছি। হ্যাঁ, আমার জমানো অনেক টাকা খরচ হয়ে গেছে, তবে এখন আমি জানি, এর চেয়েও বহুগুণ বেশি আয় করতে আমি সক্ষম।
৪. অক্টোবরে আমি এক অনাথ শিশু কল্যাণ ফাউন্ডেশনে ১ হাজার ডলার অনুদান দিয়েছি। সামনের বছর এই সংস্থা ও শিশুদের সাথে আরও ভালোভাবে যুক্ত হওয়ার পরিকল্পনা করছি। ৫. আমি ২০১৭ সালে কানাডায় আসি। ২০২৫ সালের আগে কানাডা ও দক্ষিণ কোরিয়া ছাড়া অন্য কোথাও যাইনি। তবে, ২০২৫ সালে আমি ৭টি দেশের ১২টি শহর ঘুরেছি। আশা করি, আগামী বছর থেকে টাকা জমাতে পারব। ৬. আমি স্বভাবগতভাবে অন্তর্মুখী। সেই আমি দুটি ভিন্ন স্থানে বক্তৃতা দিয়েছি—যা প্রেরণামূলক বক্তব্য হিসেবে পরিচিত। অন্যরা কতটা অনুপ্রাণিত হয়েছে জানি না, তবে আমি নিজে দারুণ অনুপ্রাণিত হয়েছি। আরও পড়ুনশীতে রুম হিটার ব্যবহারের নিয়মাবলী ও নিরাপদে থাকার ৭টি টিপস ৬ ঘণ্টা আগে ৭. জীবনকে কীভাবে গুছিয়ে আনা যায়, সেই বিষয়ে আমি একটি বই লেখা শুরু করেছি। আপনারা বিশ্বাস করবেন কিনা জানি না, প্রকাশক বইটির প্রথম খসড়া (ফার্স্ট ড্রাফট) পছন্দ করেছেন। ২০২৬ সালে আমার প্রথম বইটি প্রকাশিত হবে। ৮. আমি নিজের ফ্যাশন লেবেল নিয়ে কাজ করছি। এ বিষয়ে ইতিমধ্যে ১৬টি অনলাইন কোর্স সম্পন্ন করেছি।
দেখা যাক, ২০২৬ সালে এটি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়। ৯. সবচেয়ে বড় কথা হলো, আমি নিজের মানসিক স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধার করেছি এবং অর্থনৈতিকভাবে ‘কিছুটা’ স্থিতিশীলতা অর্জন করেছি। ১০. ৩০ বছর বয়সে এসে আমি জীবনকে পুরোপুরি উপভোগ করতে শিখেছি। আর এসব কিছুই আমি খুবই ‘ভয়ে ভয়ে’ এবং অনিশ্চয়তার মধ্যে দিয়ে করেছি। পারব কিনা, তা নিশ্চিত ছিলাম না। হেইজি জিয়ং তাঁর ইনস্টাগ্রাম পোস্টে আরও বলেন, ‘আমি নিজেকে নিয়ে চরম হতাশায় ভুগেছি এবং ভেবেছি, আমার দ্বারা কিছুই হবে না। এরপর আমি সিদ্ধান্ত নিলাম, জীবন একটাই। তাই আমি ঠিকভাবে বাঁচব। নিজের জন্য এটা আমাকে করতেই হবে। কেবল সময়টাকে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে এবং ধারাবাহিকভাবে চেষ্টা করে মাত্র এক বছরে আমি নিজেকে যেখানে দেখতে চেয়েছি, সেই পথে এগিয়েছি। আমি বিশেষ কিছু অর্জন করিনি, তবে এটুকু বলতে পারি, আমার ভেতরের সত্তা বলছে, এখন আমি সঠিক পথে চলছি। আর বিশ্বাস করুন, এটা পরিশ্রমের, কিন্তু খুবই সন্তুষ্টির।’ উৎস: হেইজি জিয়ংয়ের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেল আরও পড়ুননতুন বছরের নতুন অভ্যাস বেশি দিন ধরে রাখতে না পারার কারণ কী? ৪ ঘণ্টা আগে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর পদে ইস্তফা দিলেন সাইফুদ্দীন আহমদ