Published : 19 Jan 2026, 01:05 AM
বলিউডের ‘পারফেকশনিস্ট’ আমির খান যেকোনো সিনেমা শুরু করার আগে খুঁটিনাটি বিচার করেন—এটা সবারই জানা। সামান্য পছন্দ না হলে তিনি বড় বাজেট সত্ত্বেও সিনেমা থেকে সরে দাঁড়ান। তবে নব্বইয়ের দশকে পরিস্থিতি ভিন্ন ছিল। অভিনেতা দেব আনন্দ পরিচালিত ‘আওয়াল নাম্বার’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য আমির খান কোনো রকম দ্বিধা ছাড়াই রাজি হয়েছিলেন, এমনকি স্ক্রিপ্টও পড়েননি! সম্প্রতি, দেব আনন্দের ঘনিষ্ঠ বন্ধু মোহন চুরিওয়ালা ভিক্কি লালওয়ানির সাথে আলাপকালে এই মজার ঘটনাটি জানান। মোহন বলেন, আমির খান নিজেই জানিয়েছেন, ‘আওয়াল নাম্বার’ তাঁর জীবনের একমাত্র সিনেমা, যেখানে তাঁর বাবা তাঁকে কোনো প্রশ্ন করতে নিষেধ করেছিলেন। বাবার কথা ছিল, “কাহিনি বা স্ক্রিপ্ট দেখার দরকার নেই, এমনকি পারিশ্রমিক নিয়েও কথা বলবে না। শুধু দেব সাহেবের কাছে গিয়ে ‘হ্যাঁ’ বলে দাও।
” দেব আনন্দকে এতটাই সম্মান করা হতো যে, তাঁর কাজের প্রতি আস্থা রাখার মতোই ছিল এটা। মোহন আরও জানান, দেব আনন্দ ছিলেন পেশাদারিত্ব ও উদারতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তিনি পারিশ্রমিক নিয়ে সবসময় সচেতন থাকতেন এবং ব্যক্তিগতভাবে শিল্পীদের ফোন করে নিশ্চিত করতেন তাঁদের প্রাপ্য বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে কিনা। উদাহরণ হিসেবে তিনি কমেডিয়ান বীরবলের কথা উল্লেখ করেন, যিনি দেব আনন্দের ‘লুটমার’ সিনেমায় কাজ করেছিলেন। সিনেমাটি বাণিজ্যিকভাবে সফল না হলেও, দেব আনন্দ বীরবলকে দ্রুত তাঁর পারিশ্রমিক বুঝিয়ে দিয়েছিলেন। বীরবল তাঁর ইউটিউব চ্যানেলে এই ঘটনার কথা উল্লেখ করেছেন। মোহন জানান, কিংবদন্তী সংগীত পরিচালক এস ডি বর্মনও দেব আনন্দের ‘হরে রাম হরে কৃষ্ণ’ সিনেমার গল্প শুনে প্রথমে বিরক্ত হয়েছিলেন।
বর্মনদা নাকি বলেছিলেন, “এই সিনেমা তৈরি কোরো না, এটা একটা ভয়ানক গল্প। তুমি এমন পরিকল্পনা করছ কেন?” দেব আনন্দ সামলে নিয়েছিলেন পরিস্থিতি। গল্পের কিছু অংশ ও চরিত্র পরিবর্তন করার পর বর্মন রাজি হন। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের সূত্র ধরে লেখা।।
ডিপিডিসি প্রকল্পের বাইরে কর্মকর্তাদের জন্য বিলাসবহুল আবাস: সুইমিং পুল ও জিমসহ টুইন টাওয়ার নির্মাণ