Published : 21 Feb 2026, 07:05 PM
স্মৃতি দুর্বল হয়ে যাওয়ার পেছনে বড় কারণ হলো বিক্ষিপ্ত মনোযোগ। একসাথে অনেক কাজ করতে গেলে মস্তিষ্ক কোনো তথ্য ভালোভাবে ধরে রাখতে পারে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন কিছু শোনার বা দেখার সময় সেটার দিকে সম্পূর্ণ মনোযোগ দেওয়া উচিত। শোনার পরপরই তথ্যটি মনে মনে বা মুখে কয়েকবার আওড়ালে তা মস্তিষ্কে গেঁথে যায়—একে ‘পুনরাবৃত্তি’ বলা হয়। কারো নাম শোনার পর কথা বলার সময় বারবার সেই নামটি ব্যবহার করলে তা সহজে মনে থাকে। বড় কোনো তথ্য মনে রাখতে চাইলে সেটিকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করে নিন। যেমন, একটি লম্বা নম্বরের কথা মনে রাখতে সেটিকে তিন-চার অঙ্কের ভাগে ভাগ করুন। জটিল তথ্য মনে রাখার জন্য ছন্দ বা বিশেষ সংকেত ব্যবহার করতে পারেন।
নতুন তথ্যের সাথে আপনার আগের কোনো অভিজ্ঞতার যোগসূত্র স্থাপন করলে সেটি মনে রাখা সহজ হয়—চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে ‘সংযোগ স্থাপন’ বলা হয়। স্মৃতিশক্তি শুধু মস্তিষ্কের ব্যায়াম নয়, এটি আপনার সামগ্রিক স্বাস্থ্যের সাথেও জড়িত। পর্যাপ্ত ঘুম মস্তিষ্কে তথ্য গুছিয়ে রাখতে সাহায্য করে। ঘুমের অভাব আপনার বিচারবুদ্ধি এবং স্মৃতিশক্তি—দুটোই এলোমেলো করে দেয়। এছাড়া, নিয়মিত হাঁটাচলা বা শারীরিক ব্যায়াম মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল বাড়ায় এবং নতুন কোষ তৈরি করতে সাহায্য করে। আপনার খাদ্যতালিকায় ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, রঙিন সবজি ও ফল অবশ্যই রাখুন। মস্তিষ্কে অতিরিক্ত চাপ না দিয়ে ক্যালেন্ডার, স্মার্টফোন রিমাইন্ডার বা নোটবুক ব্যবহার করুন। এতে মস্তিষ্কের ওপর চাপ কমবে এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সময়মতো শেষ করা যাবে।
স্মৃতিশক্তিকে একটি পেশির মতো মনে করুন। যত বেশি ব্যবহার করবেন এবং যত বেশি যত্ন নেবেন, এটি তত বেশি শক্তিশালী হবে। এই ছোট ছোট কৌশলগুলো আপনার দৈনন্দিন জীবনে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। উৎস: ওয়েবএমডি, মেমোরিল্যাব। আরও পড়ুন: আফগান কনের ডাচ বর, নেদারল্যান্ডসে বিয়ে করে যুক্তরাষ্ট্রে সংসার পেতেছেন ৩ ঘণ্টা আগে।।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সাফল্য জনগণের, কোনো একক গোষ্ঠীর নয়: তথ্যমন্ত্রীর বার্তা