Published : 23 Feb 2026, 05:06 PM
ফেসবুকে কিছু লিখলেই মনে হয়, লাইক-কমেন্ট আসছে তো? কে দেখল, কে কী ভাবছে—এসব নিয়ে কি আপনারও রাতের ঘুম উড়ে যায়? অথবা মেসেজ পাঠালেই মনে হয়, ‘ওহ, এখনো রিপ্লাই করলো না কেন?’ এরপর খতিয়ে দেখতে গিয়ে দেখেন, মানুষজন অনলাইনে আছে, অথচ আপনার মেসেজটা দেখছেই না! তখন মনে হয়, ইচ্ছাকৃতভাবে যেন পাত্তা দেওয়া হচ্ছে না। অজান্তেই আমরা ধরে নেই, ‘যে যত তাড়াতাড়ি উত্তর দেয়, সে তত বেশি গুরুত্ব দেয়’—যা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। এই যে অতিরিক্ত চিন্তা, উদ্বেগ আর অস্থিরতা, যা আপনার স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করে, একেই বলা হয় নোটিফিকেশন অ্যাংজাইটি। কারণগুলো কী? ১. প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহার: বারবার সামাজিক মাধ্যম বা ইমেইলে ঢুঁ মারা, বাস্তব জীবন থেকে দূরে সরে যাওয়া এবং জীবনের নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তির হাতে তুলে দেওয়া।
২. সামাজিক চাপ: অন্যের দ্রুত উত্তর পাওয়া এবং নিজেকে পিছিয়ে পড়া মনে হওয়া, অথবা অন্যরা নতুন কিছু জানতে পারছে, সেই তুলনায় পিছিয়ে থাকার ভয়। সামাজিক মাধ্যমের অ্যালগরিদম এমনভাবে তৈরি যে নেতিবাচক খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। চারপাশে এত নেতিবাচকতা দেখেও আমরা উদ্বিগ্ন হই। (একবার ভাবুন, যে খবর আপনার দরকার নেই, সেটি জেনে কী লাভ?) ৩. কাজের চাপ: অফিসের বা স্কুলের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতছাড়া হয়ে যাওয়ার ভয়।
লক্ষণগুলো কী? * অস্থিরতা * একটানা স্ক্রল করা (ডুমস্ক্রলিং) * বারবার ফোন চেক করা * সামান্য ভাইব্রেশন বা শব্দে চমকে যাওয়া * শান্তভাবে কাজ করতে না পারা * ঘুমের সমস্যা * হীনম্মন্যতায় ভোগা * মাথাব্যথা ও চোখের চাপ * উদ্বেগ ও মানসিক চাপ * মনোযোগ কমে যাওয়া ও কর্মক্ষমতা হ্রাস * স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়া এসব লক্ষণের মধ্যে যদি তিনটি বা তার বেশি আপনার মধ্যে থাকে, তাহলে সতর্ক হোন। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। সূত্র: মিডিয়াম।
কোরবানির পশুর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার চিত্র পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী