Published : 21 Mar 2026, 01:05 AM
পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিনে রাজধানী ঢাকা সহ সারাদেশে বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, পুরো উপমহাদেশ জুড়ে বিস্তৃত এক বৃষ্টিবলয় তৈরি হয়েছে। এর প্রভাবে গতকাল শুক্রবার দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হয়েছে, এবং সেই ধারা আগামীকালও অব্যাহত থাকতে পারে। রাতের শেষভাগে অথবা খুব সকালে বৃষ্টির বিরতি থাকলেও, দুপুরের পর আবারও আকাশ ভেজা হতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মো. বজলুর রশিদ গতকাল রাতে জানান, আজকের চেয়ে আগামীকাল বৃষ্টিপাতের পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকা এবং অন্যান্য অঞ্চলে সারাদিন বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গতকাল বেলা ১১টার পর থেকেই রাজধানীতে বৃষ্টি শুরু হয়।
প্রতিবেদন লেখার সময় (রাত ১০:৩০) আকাশ মেঘে ঢাকা ছিল এবং সারাদিনে ১৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। মাদারীপুরে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে, ৩৩ মিলিমিটার। দেশের প্রায় প্রতিটি বিভাগেই বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হয়েছে। এর আগে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছিল, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও খুলনা বিভাগে তুলনামূলকভাবে কম বৃষ্টি হবে। তবে বজলুর রশিদ বলছেন, উপকূলীয় অঞ্চলে বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। আরও পড়ুন: উপমহাদেশজুড়ে হাজার কিলোমিটারের বৃষ্টিবলয়, বাংলাদেশেও প্রভাব। ২ ঘণ্টা আগে।
ভারত, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের উপর প্রায় এক হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ একটি বৃষ্টিবলয় সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে। আবহাওয়া সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, এটি একটি সরলরেখার মতো বিস্তৃত নিম্নচাপের পশ্চিমা ঝঞ্ঝা। সাধারণত এই পশ্চিমা লঘুচাপ ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয় এবং শীতকালে তুষারপাত ও শৈত্যপ্রবাহ নিয়ে আসে। তবে এবার পরিস্থিতি ভিন্ন, কারণ এই ঝঞ্ঝা বাঁক না নিয়ে একটি দীর্ঘ ট্রফ বা নিম্নচাপের রেখা হিসেবে বিস্তৃত হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক মনে করেন, বাংলাদেশের এই বৃষ্টিপাতের পেছনে এই বৃষ্টিবলয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।।
মোটরসাইকেল মালিকদের জন্য নতুন করের বোঝা? এনবিআরের সামনে বাইকারদের বিক্ষোভ