Published : 08 Apr 2026, 03:05 AM
জো কেন্ট, যিনি সম্প্রতি ইরানের উপর হামলার বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাস দমন বিষয়ক শীর্ষ পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন, মনে করেন ইরানের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ধ্বংস করার হুমকি শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রকে কঠিন বিপদের মুখে ফেলতে পারে। সামাজিক মাধ্যম বার্তায় কেন্ট লিখেছেন, “এর ফলস্বরূপ, বিশ্ব মঞ্চে যুক্তরাষ্ট্র আর স্থিতিশীলতার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হবে না, বরং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী শক্তি হিসেবে পরিচিত হবে। এটি আমাদের দীর্ঘদিনের ধরে থাকা পরাশক্তির অবস্থানকে দুর্বল করে দেবে, অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় অস্থিরতা নিয়ে আসবে।” জো কেন্ট কে এবং তাঁর পদত্যাগ ইরানের পরিস্থিতি পরিবর্তনে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।
১৮ মার্চ ২০২৬ কেন্ট মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামনে এখনো বিপর্যয় এড়ানোর সুযোগ রয়েছে। যদি ট্রাম্প ধ্বংসাত্মক পথ পরিহার করে গঠনমূলক আলোচনার দিকে মনোযোগ দেন, তবে এই সংকট মোড়ানো পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব। ইরানের বিরুদ্ধে চলমান উত্তেজনার প্রতিবাদে কেন্টের পদত্যাগ ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। গত মার্চ মাসে তিনি ন্যাশনাল কাউন্টার-টেররিজম সেন্টারের (এনসিটিসি) পরিচালক পদ থেকে ইস্তফা দেন।
পদত্যাগপত্রে তিনি স্পষ্ট করে উল্লেখ করেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘তৎক্ষণিক কোনো হুমকি নয়’। তিনি ইসরায়েলকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের জন্য চাপ দেওয়ার অভিযোগ করেন। যদিও ট্রাম্প এবং হোয়াইট হাউসের কিছু কর্মকর্তা কেন্টের এই বক্তব্যকে সমালোচনা করেছেন। আরও পড়ুন: মার্কিন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বাংকার দ্রুত সারিয়ে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ছে ইরান: গোয়েন্দা রিপোর্ট ০৫ এপ্রিল ২০২৬ আরও পড়ুন: মার্কিন সেনাপ্রধানকে হঠাৎ কেন পদত্যাগ করার নির্দেশ দিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথ ০৩ এপ্রিল ২০২৬ আরও পড়ুন: ইরানের এখনো অর্ধেক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার ও হাজার হাজার ড্রোন মজুত আছে: মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য ০৩ এপ্রিল ২০২৬ আরও পড়ুন: ট্রাম্প চাইলেই কি ন্যাটো থেকে বেরিয়ে যেতে পারবেন ০২ এপ্রিল ২০২৬।
সবুজ ভবিষ্যতের পথে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় অঙ্গীকার