Published : 17 May 2026, 07:05 AM
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা এখনও থমকে আছে, যদিও সম্প্রতি একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই অচলাবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার লক্ষ্যে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি গতকাল শনিবার তেহরানে পৌঁছেছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। দেশটির আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ‘পাকিস্তান এই অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই মহসিন নাকভি আজ (শনিবার) দুই দিনের সরকারি সফরে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানে এসেছেন।’ ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এস্কান্দার মোমেনি বিমানবন্দরে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। এর আগে, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরও তেহরান সফর করেছিলেন।
এরপরই নাকভি এই সফরে গেলেন। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শান্তি আলোচনায় পাকিস্তান সক্রিয়ভাবে মধ্যস্থতা করছে। গত মাসে তারা উভয় পক্ষের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংলাপের আয়োজন করেছিল।গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বাহিনী ইরানে হামলা চালালে সংঘাতের সূত্রপাত হয়। এরপর ৯ই এপ্রিল যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়া হলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়।ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি গত শুক্রবার জানিয়েছেন, তাঁরা ওয়াশিংটন থেকে কিছু বার্তা পেয়েছেন। এই বার্তাগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার আগ্রহের ইঙ্গিত রয়েছে।
তবে এর আগে ট্রাম্প ইরানের দেওয়া একটি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন এবং সতর্ক করে বলেছিলেন, যুদ্ধবিরতি এখন ‘জীবনরক্ষাকারী যন্ত্রের’ উপর নির্ভরশীল। এরপর গত মঙ্গলবার ইরানের প্রধান আলোচক ও পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেন, ওয়াশিংটনের উচিত তেহরানের দেওয়া শান্তি প্রস্তাবটি বিবেচনা করা। অন্যথায়, তাদের ‘ব্যর্থ’ হতে হবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে গালিবাফ বলেন, ‘ইরানের জনগণের অধিকারের কথা বলা ১৪-দফার প্রস্তাবটি মেনে নেওয়া ছাড়া অন্য কোনো পথ নেই। অন্য কোনো পথে হাঁটলে কোনো ফল পাওয়া যাবে না, বরং একের পর এক ব্যর্থতা আসবে।’।
জাবিতে ছাত্রী নিপীড়নের চেষ্টা: দ্রুত গ্রেফতার না হলে ঢাকা-আরিচা সড়ক ঘেরাওয়ের হুমকি জাকসুর