Published : 24 May 2026, 12:53 PM
চট্টগ্রাম শহরের বাকলিয়া এলাকায় এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। চার বছরের একশিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্তকে দীর্ঘ আট ঘণ্টা অবরুদ্ধ রাখার পর পুলিশ हिरासत নিয়েছে। গতকাল রাতে এই ঘটনার পর স্থানীয় জনতা অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এবং পুলিশের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে কমপক্ষে ৩০ জন আহত হন। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডাক্তার শাহাদাৎ হোসেন হাসপাতালে শিশুটির সাথে দেখা করেন এবং কঠোর ভাষায় ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন। চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) উপ- কমিশনার (দক্ষিণ) হোসেন মোহাম্মদ কবির ভুঁইয়া জানান, পরিস্থিতি এখন শান্ত। তিনি বলেন, উত্তেজিত জনতা অভিযুক্তকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে, পুলিশ তাকে উদ্ধার করে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়।
জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে সীমিত পরিসরে সাউন্ড গ্রেনেড ও গ্যাস ব্যবহার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন, যাদের ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে আঘাত করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ ও এপবিএন মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষুব্ধ জনতা একটি পুলিশের গাড়িতে আগুন দিয়েছে। এর আগে, বাকলিয়া থানা এলাকার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের চেয়ারম্যান ঘাটা আবু জাফর রোডে একটি ডেকোরেশনের দোকানের কর্মচারী চার বছরের একশিশুকে দোকানে ডেকে নিয়ে অশালীন প্রস্তাব দেয়। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্তকে ঘেরাও করে বিক্ষোভ শুরু করেন।
বিক্ষোভকারীরা অভিযুক্তকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার বদলে নিজেরাই শাস্তি দিতে উদ্যত হলে উত্তেজনা আরও বাড়ে। এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে পুলিশের গুলিতে দুইজন সাংবাদিক আহত হন। বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকেল ৫টায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। গভীর রাত পর্যন্ত উত্তেজিত জনতা রাস্তায় অবস্থান নিয়ে পুলিশের গাড়ি আটকে রাখে।।
হামে আক্রান্ত শিশুদের নিথর দেহ: দেশে আরও ১১ প্রাণহানি, মৃতের সংখ্যা ৫০০-র দোরগোড়ায়