Published : 30 May 2026, 01:28 AM
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হওয়ার প্রত্যাশায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। শুক্রবারের লেনদেনে ব্যারেল প্রতি তেলের দাম ১ শতাংশের বেশি হ্রাস পেয়েছে, যা এপ্রিল মাসের শুরু থেকে সাপ্তাহিক হিসেবে সবচেয়ে বড় পতন। যদিও এই বিষয়ে চূড়ান্ত চুক্তি এখনো সম্পন্ন হয়নি। গ্রিনিচ মান সময় অনুযায়ী ভোর ৩টা ৩০ মিনিটে জুলাই মাসের সরবরাহকৃত ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ১.১ শতাংশ বা ১.০৪ ডলার কমে ৯২.৬৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে মার্কিন তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১.২৬ ডলার বা ১.৪ শতাংশ কমে ৮৭.৬৪ ডলারে নেমে এসেছে। এই সপ্তাহে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১০.৫ শতাংশ কমেছে—যা গত ৬ এপ্রিলের পর সবচেয়ে বড় সাপ্তাহিক দরপতন।
অন্যদিকে, ডব্লিউটিআই বা মার্কিন তেলের দাম কমেছে ৯.২ শতাংশ—যা গত ১৩ এপ্রিলের পর সর্বোচ্চ পতন। বেশ কয়েকটি সূত্রে রয়টার্সকে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান বৃহস্পতিবার হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার বিষয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে এবং যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ব্যাপারেও সম্মত হয়েছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো এই চুক্তিতে সায় দেননি এবং ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমও জানিয়েছে যে চুক্তিটি এখনো চূড়ান্ত নয়। অর্থনীতিবিদ টনি সিকামোর মনে করেন, “বাজারের প্রত্যাশা হলো সংঘাতের অবসান এবং একটি চুক্তির রূপায়ণ। এই ধারণা বজায় থাকলে অপরিশোধিত তেলের দাম আরও কমে ৮০ ডলারের ঘরে প্রবেশ করতে পারে।” হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধপূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় জাহাজ চলাচল এখনো সীমিত।
আইএনজি-এর বিশ্লেষকদের মতে, প্রণালিটি সম্পূর্ণরূপে খুলে দেওয়া হলে তেলের বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসবে। তবে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে সময় লাগতে পারে। আইএনজি এক বার্তায় জানিয়েছে, “যুদ্ধ শুরুর পর থেকে খনিগুলো থেকে অপরিশোধিত তেল উত্তোলন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে, কারণ মজুদের পর্যাপ্ত জায়গা ছিল না। তাই উৎপাদন দ্রুত আগের অবস্থায় ফিরে আসবে না, বরং তা ধীরে ধীরে বাড়বে।” এছাড়াও, এই অঞ্চলের শোধনাগারগুলোর উৎপাদন ক্ষমতা বাড়াতেও কিছুটা সময় লাগবে, কারণ সংঘাতের শুরুতে কিছু স্থাপনা হামলার শিকার হয়েছিল।।
কোরবানির পশুর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার চিত্র পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী