Published : 31 May 2026, 07:52 PM
শুক্রবার কলকাতার আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যায় এবং প্রবল বেগে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। এই দুর্যোগে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ব্যক্তি মারা যান। শহরের প্রায় ২৫টি স্থানে গাছ উপড়ে পড়ায় যান চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়। অনেক গাছের ডাল গাড়ির উপর পড়ায় সেগুলোরও ক্ষতি হয়। ঘূর্ণিঝড়ের সময় হুগলি নদীর প্রিন্সেপ ঘাটের কাছে রেললাইনের উপর একটি গাছ ভেঙে পড়লে তারে আগুন ধরে যায়। অন্যদিকে, একটি আম গাছ থেকে ঝরে পড়া আম কুড়াতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ব্যক্তি মারা যান, যদিও তার পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
রেল চিকিৎসকরা মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। ঘণ্টায় ৮৮ কিলোমিটার বেগে বয়ে যাওয়া এই ঘূর্ণিঝড়ের কারণে লেন্স ডাউন, মুদিয়ালী, সল্টলেক, সাউদার্ন অ্যাভিনিউ, হরিস মুখার্জী রোড, ময়দান, রফি আহমেদ কিদোয়াই রোড, পাতিপুকুর, কাঁকুড়গাছি, খিদিরপুর, পিজি হাসপাতাল, হাইল্যান্ড পার্ক, প্রিন্সেপ ঘাট, লেক গার্ডেন্স, টালা পার্কের মতো এলাকাগুলোতে গাছ পড়ে রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে যায়। শিয়ালদহ-বনগাঁ লাইনে ট্রেন চলাচলও ব্যাহত হয়। কলকাতা বিমানবন্দরে জল জমে যাওয়ায় প্রায় এক ঘণ্টা বিমান ওঠানামা বন্ধ ছিল। শহরের বিভিন্ন রেললাইনেও জল জমে যায়, বিশেষ করে পিজি হাসপাতাল রোড ও আম হার্টস্টিটে। হরিস মুখার্জী রোডে একটি গাছের ডাল গাড়ির উপর পড়ায় গাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে চালক দ্রুত গাড়ি থেকে বেরিয়ে প্রাণে বাঁচেন।
যাদবপুরে একটি ট্রাফিক সিগন্যালের খুঁটি ভেঙে পড়ে। দুর্যোগ মোকাবিলা দল দ্রুত গাছপালা সরিয়ে রাস্তাঘাট পরিষ্কার করার কাজে লেগে পড়ে। কলকাতার পৌরসভা রাস্তায় জমে থাকা জল সরানোর জন্য পাম্প মেশিন চালু করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাজ্য সরকার কন্ট্রোল রুম খুলেছে।।
কোরবানির পশুর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার চিত্র পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী