Published : 05 Jul 2026, 11:09 PM
অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত 'পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি' বা এআরটি (ART)-এর মাধ্যমে বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি, জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে বাংলাদেশের অবস্থান আরও মজবুত হবে—এই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। জাতীয় সংসদে এই প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্য তুলে ধরেন। এই চুক্তি অনুযায়ী, মার্কিন তুলা ব্যবহার করে তৈরি পোশাকের ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধা নিশ্চিত হয়েছে। এই চুক্তির ফলে দেশের অর্থনৈতিক ও জ্বালানি স্থিতিশীলতা আরও উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
চুক্তিটি স্বাক্ষরের পূর্বে তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই পদক্ষেপ নিয়েছিল। চুক্তি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা, জ্বালানি পণ্য, সয়াবিন, গম এবং উড়োজাহাজসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের কিছু বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়েছে। তবে, এই চুক্তির পেছনের অর্থনৈতিক দিক নিয়ে ব্যবসায়ীরা ও বিশেষজ্ঞরা ভিন্নমত পোষণ করেন। তাদের মতে, এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশ রাজস্ব হারাতে পারে এবং অধিক দামে পণ্য কিনতে হতে পারে।
এছাড়াও, চুক্তি অনুযায়ী ১৩১টি শর্ত মানতে হবে এবং মার্কিন অনুমতি সাপেক্ষে নীতি নির্ধারণ করতে হবে, যা একটি জটিল পরিস্থিতি তৈরি করেছে।।