Published : 08 Jul 2026, 10:57 PM
সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সারওয়ার আলমকে হঠাৎ প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব পদে সংযুক্ত করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি আজ রোববার বিকেলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জানানো হয়। তথ্য নিশ্চিত করলেও সারওয়ার আলম এই আকস্মিক বদলির পেছনের কারণ সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেননি। তবে এই প্রশাসনিক পরিবর্তনের পিছনে কী কারণ ছিল, তা নিয়ে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। জানা যায়, সিলেট জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে সারওয়ার আলম হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার সংক্রান্ত বিভিন্ন ঘটনায় আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন।
সম্প্রতি মাজারগুলোর ব্যবস্থাপনা এবং দানবাক্সের বিষয়ে তাঁর কিছু উদ্যোগ সমালোচিত হয়। ঘটনার সূত্র অনুযায়ী, গত ১২ জুন মাজার পরিদর্শনে যান সারওয়ার আলম এবং তিনি মাজারসমূহের আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে, মাজারে থাকা দানবাক্স সিলগালা করে নতুন ব্যবস্থা স্থাপন করা হয় এবং ঐতিহাসিক দানের রেকর্ডগুলোও সিল করা হয়। এই পদক্ষেপের ফলে জেলা প্রশাসকের পক্ষে ও বিপক্ষে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়। কেউ কেউ তাঁর উদ্যোগকে ইতিবাচক চোখে দেখেন, আবার অনেকে প্রশাসনের ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপকে তীব্রভাবে সমালোচনা করেন।
অন্যদিকে, মাজার-ভক্ত-অনুসারীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে যে, প্রায় সাত শতাব্দীর ঐতিহ্যবাহী মাজার পরিচালনার পদ্ধতিতে এই ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে, যা ঐতিহ্যকে নষ্ট করার শামিল। তারা দাবি করেন, দানবাক্সে সিলগালা করা এবং নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিটি সঠিক নয়। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে, কীভাবে এই পরিবর্তনগুলো কার্যকর করা হলো এবং এর দায়ভার কার? সিলেট প্রশাসনের এই পালাবদল এবং মাজার ব্যবস্থাপনার বিতর্কিত পদক্ষেপগুলো এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।।
দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক জব্দ করা হলো সাবেক ভূমিমন্ত্রীর গুলশানের ১৮ কোটির ফ্ল্যাট