Published : 08 Jul 2026, 11:01 PM
দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তার প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছেন। এই সফরের প্রধান লক্ষ্য হলো দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক বন্ধন সুদৃঢ় করা, বিনিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধি করা, শ্রমবাজারের সম্ভাবনা উন্মোচন করা এবং কৌশলগত সহযোগিতা আরও গভীর করা। আজ (২১ জুন) বিকেলে প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁর সফরসঙ্গীদের নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে রওনা দেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানিয়েছেন, দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটে বিমানটি ঢাকা ছাড়বে। এই সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জোবায়দা রহমানও উপস্থিত থাকবেন।
আতিকুর রহমান রুমন আরও উল্লেখ করেন যে, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণ মেনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন, যা দুই দিনের একটি সফর। মালয়েশিয়া সফর শেষে তিনি আরও চার দিনের সরকারি সফরে চীন যাবেন। এই সফরে প্রধানমন্ত্রী একটি তেইশ সদস্যের উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এই প্রতিনিধিদলে রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এ কে এম শামসুল আলম। বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী এবং ঢাকায় অবস্থিত মালয়েশিয়া ও চীন মিশনের কূটনীতিকসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
ফ্লাইটটি স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে। সেখানে মালয়েশিয়া সরকারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা জানানো হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে, এই সফরে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশের প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি করা সরকারের একটি প্রধান অগ্রাধিকার।।
বেইজিংয়ে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা