Published : 09 Jul 2026, 03:06 AM
বাংলাদেশে চার দশকের পথচলা সফলভাবে সম্পন্ন করেছে ওয়াটারএইড। নিরাপদ পানীয় জল, সম্মানজনক স্যানিটেশন এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে এই প্রতিষ্ঠানটি নিরলসভাবে কাজ করে আসছে। সম্প্রতি এই ঐতিহাসিক ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে একটি বিশেষ লোগো উন্মোচনের মাধ্যমে ওয়াটারএইড বাংলাদেশ বছরব্যাপী উদযাপন শুরু করেছে। এই অনুষ্ঠানে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের ওয়াটারএইডের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও, বর্তমান ও প্রাক্তন সহকর্মী এবং শুভানুধ্যায়ীরা ভার্চুয়ালি এই আনন্দ ভাগ করে নেন। ওয়াটারএইড বাংলাদেশের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এই দীর্ঘ যাত্রায় ওয়াটারএইড বাংলাদেশ দেশের জল ও স্যানিটেশন খাতে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য নিরাপদ জল, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা, পরিষেবা ব্যবস্থার প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করা, এবং জনবান্ধব নীতি প্রণয়নে সরকারকে উৎসাহিত করা—এই লক্ষ্যেই সংস্থাটি এগিয়ে চলেছে। অংশীদারিত্ব, নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য, নিষ্ঠা এবং মানুষকেন্দ্রিক উদ্যোগের ভিত্তিতে ওয়াটারএইড নানা ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে। লোগো উন্মোচন অনুষ্ঠানে ওয়াটারএইড দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক ড. খায়রুল ইসলাম বলেন, ‘এই উদযাপন কৃতজ্ঞতা, আত্মপর্যালোচনা এবং নতুন অঙ্গীকারের এক বিশেষ মুহূর্ত। ওয়াটারএইড বাংলাদেশের যাত্রা সেই সকল মানুষ ও জনগোষ্ঠীর সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল, যাদের সঙ্গে আমরা কাজ করি; সেই সহকর্মীদের অবদান, যারা এই মিশনকে এগিয়ে নিয়েছেন, এবং সেই অংশীদার ও প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। আমি আশা করি, এই ৪০ বছর পূর্তির সময়ে ওয়াটারএইড বাংলাদেশ আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক, জলবায়ু-সহনশীল ও নিরাপদ ভবিষ্যতের অঙ্গীকার আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা করবে।
’ হাসিন জাহান আরও বলেন, ওয়াটারএইড বাংলাদেশের চার দশকের অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে যে ধারাবাহিক অঙ্গীকার, আস্থাভিত্তিক অংশীদারিত্ব এবং জনগোষ্ঠীকেন্দ্রিক উদ্যোগ মানুষের জীবনে স্থায়ী পরিবর্তন আনতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, এই উদযাপন সকলের অবদানকে সম্মান জানায়, বিশেষত নারী, যুব সমাজ এবং প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ ওয়াটারএইড বাংলাদেশের কাজকে আরও মানবিক ও প্রাসঙ্গিক করেছে। এটি নতুন উদ্যম ও আশার সঞ্চার করে চলেছে। ওয়াটারএইড বাংলাদেশের এই ৪০ বছর পূর্তিতে বছরজুড়ে নানা আয়োজন ও সম্পৃক্ততামূলক কার্যক্রম থাকবে, যার মাধ্যমে সম্মিলিত অর্জন উদযাপন করা হবে, দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বকে সম্মান জানানো হবে এবং সকলের জন্য জল ও স্যানিটেশনের অধিকার নিশ্চিত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হবে। ওয়াটারএইড একটি আন্তর্জাতিক অলাভজনক সংস্থা, যার মূল লক্ষ্য হলো জলের মাধ্যমে পৃথিবীতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা।।
ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা