Published : 19 Jul 2026, 05:13 AM
জর্ডানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন আক্রমণের শিকার হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দুই সেনাসদস্যের জীবনহানি ঘটেছে। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর আরও একজন মার্কিন সেনার খোঁজ পাওয়া যায়নি। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) শনিবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। মার্চ মাসের পর থেকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান তীব্র উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে এই প্রথম কোনো মার্কিন সেনার মৃত্যু হলো। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেন্টকম জানিয়েছে, ১৭ জুলাই জর্ডানে ইরান ও তার মিত্রবাহিনীর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা প্রতিহত করার সময় দুই মার্কিন সেনা নিহত হন। এই হামলায় আরও একজন সেনাসদস্য নিখোঁজ রয়েছেন। বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, এই আক্রমণে আরও চারজন মার্কিন সেনার গুরুতর আহত অবস্থায় জর্ডানের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে, এবং কিছু সেনার সামান্য আঘাতের জন্য প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
আহত সেনারা ইতিমধ্যে নিজেদের দায়িত্বে ফিরেছেন। নিহত সৈন্যদের পরিচয় সেন্টকম আপাতত প্রকাশ করেনি। নিয়ম অনুযায়ী, নিহতদের পরিবারকে আনুষ্ঠানিকভাবে নাম প্রকাশ করার ২৪ ঘণ্টা পর তাদের পরিচয় জানানো হবে। এর আগে ইরানের সেনাবাহিনী দাবি করেছিল যে তারা জর্ডানের আজরাক বিমানঘাঁটিতে মার্কিন সামরিক যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং জ্বালানি সংরক্ষণাগার (ফুয়েল স্টোরেজ ট্যাংক)-এ হামলা চালিয়েছিল। তবে এই বিষয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন বা সেন্টকম তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। অন্যদিকে, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) সতর্ক করে বলেছে, যদি যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসন অব্যাহত থাকে, তবে তারা আরও বিস্তৃতভাবে পাল্টা জবাব দেবে। একই সময়ে ইরানের সেনাবাহিনী দাবি করেছে যে তারা ভারত মহাসাগরে একটি মার্কিন জাহাজে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
ইরানের দাবি, গত ৭ এপ্রিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একতরফাভাবে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র একাধিকবার দেশটির ভূখণ্ডে আক্রমণ করেছে। তেহরানের বক্তব্য অনুযায়ী, এটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক যৌথ আগ্রাসনের অংশ। ইরান আরও বলেছে, গত মাসে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও এই আক্রমণ বন্ধ হয়নি। এই সমঝোতার প্রথম শর্ত ছিল সকল প্রকার সামরিক আগ্রাসন বন্ধ রাখা।।
শাপলা চত্বরের গণহত্যা ছিল সুপরিকল্পিত: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটরের বক্তব্য