Published : 01 Aug 2026, 02:16 AM
জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান থ্যালাসেমিয়া এবং জন্মগত বিরল রোগে আক্রান্তদের জন্য একটি সুসংগঠিত ডেটাবেজ তৈরি করার জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, 'দেশজুড়ে এই রোগগুলো এবং অন্যান্য জন্মগত ও বিরল রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের তথ্য লিপিবদ্ধ করে একটি রেজিস্টার তৈরি করা অপরিহার্য। থ্যালাসেমিয়া যোদ্ধাদের শতভাগ সুস্থ করা সম্ভব না হলেও, তাদের এবং তাদের পরিবারকে মানসিক শান্তি ও সহমর্মিতার মাধ্যমে আশার আলো দিতে হবে।' এই বক্তব্য তিনি আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন (আইইবি) মিলনায়তনে বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত 'রক্তদাতা সম্মাননা ২০২৬' অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রদান করেন। বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি (বিটিএস) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধের লক্ষ্যে অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের স্ক্রিনিংয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, 'গর্ভাবস্থায় স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে এই রোগগুলো শনাক্ত করা সম্ভব। যেকোনো বয়সেই সঠিক পরীক্ষা দ্বারা রোগটি ধরা পড়ে।' তিনি আরও পরামর্শ দেন যে, শনাক্তকরণের পর রোগীদের ক্যাটাগরি অনুযায়ী ভাগ করে চিহ্নিত করা উচিত— যেমন থ্যালাসেমিয়া মেজর, থ্যালাসেমিয়া মাইনর এবং থ্যালাসেমিয়া ট্রেইট। চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সংবেদনশীলতার সাথে চিকিৎসা প্রদান করলে রোগী ও তাদের পরিবার অনেকটাই দুশ্চিন্তামুক্ত হতে পারবেন। স্বেচ্ছায় রক্তদান করা সকল দাতার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, 'যারা স্বেচ্ছায় রক্ত দান করেন, তাদের এই অসাধারণ মানবিক কাজের জন্য জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও মোবারকবাদ।
আমি বিশেষভাবে আমার কন্যা জাইমা রহমানকে অভিনন্দন জানাই, যিনি সাতবার স্বেচ্ছায় রক্তদান করেছেন।' এই সময় তিনি ১৯৮৯ সাল থেকে থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তি ও পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর জন্য বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির সদস্যদের ধন্যবাদ জানান। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।।
পদ্মা নদীতে স্পিডবোটে ভয়ঙ্কর হামলা; এক যুবক প্রাণ হারাল, এলাকায় উত্তেজনা