Published : 01 Aug 2026, 11:16 AM
২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে পরাজিত করার পর আর্জেন্টিনার ফুটবল দল এক বিশেষ ব্যানারে উদ্যাপন করে, যেখানে ‘ফকল্যান্ড (মালভিনাস) আর্জেন্টিনার’ দাবি প্রতিফলিত হয়। এই দৃশ্য ঘিরে দেশটির প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই আবারও তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি স্পষ্ট করে দেন যে খেলাধুলার সঙ্গে রাজনীতির মিশ্রণ একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁর মতে, দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌমত্বের মতো সংবেদনশীল বিষয়গুলো কেবল কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা উচিত। মিলেই বলেন, ‘তেল আর জল যেমন এক সাথে মিশে যায় না, তেমনি ফুটবলের সঙ্গে রাজনীতিও মেশানো ঠিক নয়; ফুটবল তো শুধুই একটি খেলা।
’ তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে ১৯৮২ সালে এই দ্বীপপুঞ্জকে কেন্দ্র করে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যে সংঘাত হয়েছিল। কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনাও এই বিষয়ে মন্তব্য করেছিলেন। প্রেসিডেন্ট মিলেই জোর দিয়ে বলেন, ‘ম্যারাডোনা বা অন্য কোনো গোল ফকল্যান্ডকে আমাদের কাছে ফিরিয়ে আনতে পারেনি।’ তবে তিনি দেশের কূটনৈতিক সাফল্যের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, আর্জেন্টিনা জাতিসংঘের মাধ্যমে যুক্তরাজ্যকে আলোচনার টেবিলে বসাতে সক্ষম হয়েছে এবং এই বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে। আরও দাবি করেন, সরকারের কার্যকর কূটনীতির ফলস্বরূপ যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং যুক্তরাজ্যের কিছু মহল এখন আর্জেন্টিনার অবস্থানের প্রতি সমর্থন দেখাচ্ছে।
পূর্বে বিশ্বকাপ ফাইনালে উঠে মার্তিনেজদের হাতে ব্যানার প্রদর্শন প্রসঙ্গে মিলেই বলেছিলেন, খেলোয়াড়রা কোনো কূটনৈতিক উদ্যোগের অংশ নন এবং তাদের কার্যকলাপ গুরুত্বহীন। তিনি উপসংহারে বলেন, ‘ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ আর্জেন্টিনারই এবং আমরা কূটনৈতিক পথেই তা পুনরুদ্ধার করব।’।
বিদেশি বিনিয়োগের পথে সরকার প্রস্তুত: সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিলেন প্রধানমন্ত্রী