Published : 05 Aug 2026, 01:16 PM
কোপা দো ব্রাজিলের কোয়ার্টার ফাইনালে নিজেদের জয়ের উল্লাসে মগ্ন থাকা অবস্থাতেই নেইমার বিতর্কের কেন্দ্রে চলে আসেন। রেমোকে ১-০ গোলে পরাজিত করে শেষ আট নিশ্চিত করার পর মাঠ ছাড়ার পথে তিনি প্রতিপক্ষ ক্লাবের কর্মকর্তা ও সমর্থকদের সঙ্গে তীব্র বাক্যবিনিময়ে জড়িয়ে পড়েন। মঙ্গলবার মাঙ্গেইরাও স্টেডিয়ামের ড্রেসিংরুমে এই উত্তেজনাকর ঘটনাটি ঘটে। সাংবাদিক ব্রেনো রাইওলের ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, শেষ বাঁশি বাজার পরপরই রেমোর কিছু সদস্যের সঙ্গে নেইমার তর্ক শুরু করেন। ঠিক কী কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়, তা স্পষ্ট নয়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার উচ্ছ্বাসকে উসকানি হিসেবে দেখে রেমোর সমর্থকরা নেইমারের উদযাপনকে কটাক্ষ করেন। তাদের দুয়ো ও বিদ্রূপের জবাবে নেইমার বারবার 'বাদ পড়েছ' বলে চিৎকার করে ওঠেন। এই সময় তিনি কর্মকর্তাদের দিকে বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি করেন এবং এক পর্যায়ে সরাসরি গালিগালাজও করেন।
এমনকি তাঁকে নাচতে বা জিহ্বা বের করে বিদ্রূপ করতেও দেখা যায়। কয়েক মুহূর্ত ধরে চলা এই বাগ্বিতণ্ডা থামানোর জন্য আশপাশের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও কর্মকর্তারা হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করেন। পুরো ঘটনাটি স্টেডিয়ামের ভেতরের করিডোরে এক তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি করে। ভিডিওতে সান্তোসের আরেক তারকা গাবিগোলকেও দেখা যায়, তিনি দূর থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে বিস্ময় প্রকাশ করেন। উত্তেজনা আরও বাড়তে শুরু করে যখন রেমোর কিছু সমর্থক এবং নিরাপত্তা কর্মীদের অংশবিশেষ বাধা অতিক্রম করে। পরবর্তীতে সান্তোসের নিরাপত্তা কর্মীরা ড্রেসিংরুমের সামনে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। এই ঘটনার পর রেমোর সভাপতি আন্তোনিও কার্লোস তেইশেইরা, যিনি 'তোনিয়াও' নামে পরিচিত, নেইমারের কড়া সমালোচনা করেন। তিনি একটি ভিডিও বার্তায় বলেন, 'সান্তোসের এমন আচরণের প্রয়োজন ছিল না।
আর বদমাশ নেইমার, যাকে অনেক শিশু আদর্শ মনে করে, সে এখানে এসে আমাদের উসকানি দিয়েছে। এমন মানুষদের আদর্শ বানানো সত্যিই দুঃখজনক।' তবে পুরো ম্যাচ জুড়ে নেইমারের প্রতি বৈরী আচরণ ছিল বলে জানা গেছে। ম্যাচের শুরু থেকে দ্বিতীয়ার্ধ পর্যন্ত রেমোর সমর্থকরা তাঁকে লক্ষ্য করে দুয়ো দেন। তা সত্ত্বেও, এই সংঘাতের মাঝেও সান্তোসের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন নেইমার। তাঁর বল থেকেই জয়সূচক গোলটি করেন রনি রুস্তিকো।।
খালেদা জিয়ার মামলায় জাল নথি ও মিথ্যা সাক্ষ্যের অভিযোগে সাবেক যুগ্ম সচিব জগলুল পাশার গ্রেপ্তার