Published : 08 Aug 2026, 05:16 PM
এক দশকেরও বেশি পুরনো এক অন্ধকার অধ্যায় এখন আলো ছড়াচ্ছে। আন্তর্জাতিক ম্যাচ পরিচালনার জন্য আসা বিদেশি রেফারিদের বিরুদ্ধে 'যৌনসেবা' প্রদানের গুরুতর অভিযোগ সামনে আসার পর দক্ষিণ কোরিয়ার ফুটবল সর্বোচ্চ সংস্থা (কেএফএ) অবশেষে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছে। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি সামনে আসে জেটিবিসির একটি অনুসন্ধানমূলক প্রতিবেদনের মাধ্যমে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১১ এবং ২০১২ সালের মধ্যে কেএফএ কর্তৃক অন্তত সাতবার বিদেশি রেফারিদের অনৈতিক সুবিধা ও যৌনসেবা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।
দাবি করা হয়, ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ এবং ২০১২ সালের অলিম্পিকের বাছাইপর্বের ম্যাচ চলাকালীন এই ঘটনাগুলি ঘটেছিল। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর গোটা কোরিয়ান ফুটবল জগৎে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়। চাপের মুখে দেওয়া বিবৃতিতে কেএফএ স্বীকার করে যে, সংসদীয় শুনানি, পুলিশের অভিযান এবং এক দশক আগের এই প্রতিবেদনগুলি তাদের গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করেছে। তারা এই উদ্বেগের জন্য আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করেছে।
আরও গভীরে গিয়ে জেটিবিসির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ২০১৬ সালের একটি তদন্তে দেখা যায় যে ২০১১ সালের মার্চ থেকে ২০১২ সালের মার্চের মধ্যে কেএফএ বিদেশি রেফারিদের 'অযাচিত বিনোদন' প্রদান করত, যার মধ্যে ম্যাসাজ পারলারে নিয়ে যাওয়ার খরচও অন্তর্ভুক্ত ছিল এবং সেখানে অনৈতিক সম্পর্ক বিদ্যমান ছিল। যদিও কেএফএ তাদের সাম্প্রতিক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে যে বর্তমানে সংস্থার মধ্যে এই ধরনের কোনো অনৈতিক কার্যকলাপ বা কর্পোরেট কার্ডের ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ এবং বন্ধ রাখা হয়েছে।।