Published : 09 Aug 2026, 11:16 PM
কয়েক দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে যেখানে জাতীয় দলের মিডফিল্ডার শেখ মোরছালিন সহ আরও অনেক ফুটবলার ঢাকার বাইরে নিম্নমানের মাঠে 'খেপ' খেলছেন। এই ঘটনা ফুটবল অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। বহু বিশেষজ্ঞ মনে করেন, পেশাদার লিগ এবং জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের এভাবে কাদা মাটির পরিবেশে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে খেলা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য এবং এটি পেশাদার চুক্তির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এর ফলে খেলোয়াড়দের আঘাত লাগার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়, যা তাদের পেশাগত ক্যারিয়ারের জন্য মারাত্মক হুমকি। তবে এই বিতর্কের বিপরীতে কিছু যুক্তিও সামনে এসেছে—অনেক ফুটবলার নিয়মিত বেতন পাচ্ছেন না, তাই জীবনধারণের তাগিদে তারা এই ধরনের খেলা থেকে বিরত থাকতে পারছেন না। এছাড়া, এই অনানুষ্ঠানিক খেলার পিছনে সামাজিক বা রাজনৈতিক চাপও থাকতে পারে।
কিছুদিন আগে জাতীয় দলের ডিফেন্ডার রহমত মিয়া প্রকাশ্যে স্বীকার করেছিলেন যে দল ও ক্লাবের চুক্তির বাইরে গিয়ে খেপ খেলা বাফুফের শৃঙ্খলাবিধির পরিপন্থী। কাদা মাঠে নিম্নমানের খেলা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়লেও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এই বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নিতে নীরব ভূমিকা পালন করছে। আজ বিকেলে বাফুফে ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি স্পষ্ট জানান, 'এই ধরনের বিষয় সামনে এলে আমরা গুরুত্ব দিয়ে দেখব এবং সত্যতা প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।' যদিও ফুটবল জগতে এই খেলা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা সত্ত্বেও বাফুফে নিজে থেকে কোনো তদন্ত শুরু করতে রাজি নন। তিনি আরও বলেন, 'জাতীয় দল ও ক্লাবের খেলোয়াড়রা অন্য কোথাও খেলেছে, এমন কোনো অভিযোগ আমাদের কাছে আসেনি। এই পর্যায়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না; আমরা প্রক্রিয়াটি অনুসরণ করতে চাই।
' তিনি বিশ্বাস করেন যে সকল খেলোয়াড়ই তাদের অবস্থান এবং ক্যারিয়ার সম্পর্কে অবগত। যদিও অনেক খেলোয়াড় নিয়ম ভঙ্গ করেছেন, তবুও বাফুফে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করবে না। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ছবি ও তথ্য নিয়েও তাবিথ আউয়াল বলেন, 'আশা করি এই তথ্যগুলো আমাদের কাছে আসবে। তবে আমরা নিজে থেকে কাউকে খুঁজে বের করব না।' এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করে যে পেশাদার খেলা এবং অনানুষ্ঠানিক কার্যকলাপের মধ্যে বিদ্যমান নৈতিক দ্বন্দ্ব কতটা গভীর।।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হেফাজতের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক