Published : 13 Aug 2026, 01:16 AM
মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত আসামিদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের রায় বাস্তবে রূপ দিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের কার্যবিধি সংশোধন করার জন্য উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে চিপ প্রসিকিউটর কার্যালয়কে নির্দেশনা দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-২ বুধবার এই আদেশ প্রদান করে। এই ট্রাইব্যুনালের অন্যান্য সদস্যরা হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ছয়টি মামলার রায়ে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানসহ বহু ব্যক্তির সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এখন প্রশ্ন উঠেছে, এই বাজেয়াপ্ত সম্পত্তি কীভাবে কার্যকরভাবে আদায় করা হবে এবং তা ক্ষতিগ্রস্ত ভুক্তভোগীদের মধ্যে কীভাবে বণ্টন করা হবে? এই বিষয়ে ট্রাইব্যুনাল-২-এর কাছে বুধবার স্পষ্ট নির্দেশনা চান চিপ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি জানান, ট্রাইব্যুনালের কার্যবিধিতে এই সংক্রান্ত কোনো উল্লেখ না থাকায় সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হলেও তা কার্যকর করা সম্ভব হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, এই বিষয়ে কাজ করার ক্ষমতা চিপ প্রসিকিউটরের রয়েছে।
তিনি পরামর্শ দেন যে ট্রাইব্যুনাল-১, ট্রাইব্যুনাল-২ এবং চিপ প্রসিকিউটর কার্যালয় সম্মিলিতভাবে সম্পদ বাজেয়াপ্ত ও বণ্টনের জন্য ট্রাইব্যুনাল আইনের কার্যবিধি সংশোধন করতে পারে। জবাবে চিপ প্রসিকিউটর জানান, তারা ইতিমধ্যেই ট্রাইব্যুনাল-১-এর সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা করেছেন। সাংবাদিকদের তিনি আরও বলেন, সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য দুই ট্রাইব্যুনালের মাননীয় বিচারপতি এবং চিপ প্রসিকিউটর কার্যালয় একসঙ্গে বসে রুলস অব প্রসিডিউর পরিবর্তন করার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে আমাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।।
মার্কিন ব্যবসায়ীদের সাথে নিবিড় সম্পর্ক দেশের অর্থনীতিকে চালিত করতে পারে: হুমায়ুন কবিরের বক্তব্য