Published : 13 Aug 2026, 04:16 AM
আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে আর্থিক স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা এবং সরকারি ক্রয়ের তথ্য জনসমক্ষে আনার জন্য যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে জোরালো পরামর্শ দিয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর তাদের সাম্প্রতিক '২০২৬ ফিসক্যাল ট্রান্সপ্যারেন্সি রিপোর্ট: বাংলাদেশ' পর্যালোচনায় এই পর্যবেক্ষণগুলো তুলে ধরেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে আর্থিক স্বচ্ছতার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে এবং পূর্ববর্তী সরকারের নীতি অনুসরণ করে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার শুরু করেছে। তবে পর্যালোচনায় কিছু ঘাটতিও চিহ্নিত করা হয়েছে।
যেমন, সরকারের পরিচালন খরচের হিসাব বাজেটে অন্তর্ভুক্ত ছিল না এবং দেশের সর্বোচ্চ নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের (সিএজি) স্বাধীনতা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পুরোপুরি পূরণ করতে পারেনি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত ই-জিপি ব্যবস্থা চালু থাকা সত্ত্বেও তথ্যের সহজলভ্যতা আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলে মত দেওয়া হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে, বাংলাদেশ সরকারের আর্থিক খাতে পূর্ণাঙ্গ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট সুপারিশ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে—প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ সংক্রান্ত চুক্তির মৌলিক তথ্য সবার জন্য উন্মুক্ত করা, অনুমোদিত বাজেট এবং প্রকৃত আয়-ব্যয়ের মধ্যে সামঞ্জস্য বজায় রাখা, এবং দেশের প্রধান নিরীক্ষা কার্যালয়কে পর্যাপ্ত আর্থিক ক্ষমতা ও প্রশাসনিক স্বাধীনতা প্রদান করা।
সর্বোপরি, যুক্তরাষ্ট্র জোর দিয়েছে যে সিএজি যেন সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে নির্ধারিত সময়ে পুরো অর্থবছরের বাজেট নিরীক্ষা করতে পারে, তা নিশ্চিত করা অপরিহার্য।।
আগামী দশ বছরে বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে সরকারের মহাপরিকল্পনা প্রকাশ করবেন: প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা