Published : 13 Aug 2026, 08:16 AM
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব ফাহমিদা আখতার জানিয়েছেন, দেশের ইকো-ট্যুরিজম উন্নয়নের জন্য একটি সমন্বিত নীতিমালা তৈরির কাজ বর্তমানে চলছে। একই সাথে, পর্যটন খাতের তথ্যের অভাব দূর করতে ইতিমধ্যেই 'ট্যুরিজম স্যাটেলাইট অ্যাকাউন্ট'-এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ শুরু করা হয়েছে। বুধবার (১২ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের পর্যটন ভবনে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের আয়োজনে 'ইকো-ট্যুরিজম প্রসারে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব ও সচেতনতা বৃদ্ধি' শীর্ষক এক গুরুত্বপূর্ণ সেমিনারে তিনি এই তথ্য প্রদান করেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আজ এই তথ্য জানানো হয়। সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ একটি আন্তর্জাতিক ট্যুরিজম হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। এর জন্য সরকারি ও বেসরকারি সকল অংশীজনদের নিয়মিত আলোচনার মাধ্যমে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। মন্ত্রী আরও যোগ করেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরেও পর্যটন খাতে উন্নয়নের দৃষ্টান্ত কম। বর্তমান সরকার নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে ট্যুরিজম হাব বানানোর পথে এগোচ্ছে এবং এই যাত্রায় সকলের সহযোগিতা অপরিহার্য। মন্ত্রী আফরোজা খানম আশা প্রকাশ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা আপনাদের সহযোগিতায় দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।
যেকোনো উন্নয়নের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার যাচাই করা জরুরি। সেই লক্ষ্যে, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি খাতের মধ্যে তথ্যের ব্যবধান দূর করতে প্রতি মাসে বেসরকারি অংশীজনদের সাথে আলোচনা করা প্রয়োজন। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের উদ্দেশ্যে গৃহীত পদক্ষেপের প্রসঙ্গে মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক উদ্বোধনকৃত 'এসডিজি ভিলেজ' যেমন—রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার মিতিঙ্গাছড়ি গ্রাম, খুলনার দাকোপ উপজেলার পানখালী গ্রাম এবং দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার নাফানগর গ্রামসহ আরও কিছু গ্রামকে পর্যটন স্পট হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, দেশের ৬৪টি জেলার সম্ভাবনাময় স্থানগুলোকে চিহ্নিত করে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য।।
সরকারের ত্রুটি ও অদক্ষতার কারণে বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট চরমে: জামায়াতের তীব্র অভিযোগ