Published : 14 Aug 2026, 09:16 AM
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) ২০২৬ সালের নভেম্বরে ৫১তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরিকল্পনা করছে। তবে এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মোট কতজন শূন্য পদ থাকবে, সেই তথ্য এখনো স্পষ্ট হয়নি। পিএসসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিয়মিত বিসিএস আয়োজন বজায় রাখার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে প্রাথমিক কাজ শুরু হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, ক্যাডারভিত্তিক শূন্য পদের তালিকা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে পিএসসিতে পাঠানো হবে। মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র এবং সঠিক শূন্য পদের সংখ্যা নিশ্চিত হওয়ার পরই মোট পদসংখ্যা চূড়ান্ত করা হবে এবং কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে তা প্রকাশ করবে।
পরীক্ষা প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করতে পুনর্গঠিত পিএসসি এক বছরের মধ্যে চূড়ান্ত ফল প্রকাশের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। পিএসসি চেয়ারম্যানের মতে, একটি বিসিএসের ফলাফল প্রকাশের প্রক্রিয়া শেষ করাই এখন কমিশনের প্রধান লক্ষ্য। ৫০তম বিসিএসের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ৫১তম বিসিএসেও এই একই গতি বজায় রাখা হবে। বর্তমানে ৫০তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা চলছে এবং এর মাধ্যমে ক্যাডার ও নন-ক্যাডার পদে মোট ২ হাজার ১৫০ জন কর্মকর্তা নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। স্বাস্থ্য ক্যাডারে প্রায় ৬৫০ জন, প্রশাসন ক্যাডারে ২০০ জন, পুলিশ ক্যাডারে ১১৭ জন এবং শিক্ষা ক্যাডারেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পদ বরাদ্দ রয়েছে। যদিও কমিশন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরীক্ষা ও ফল প্রকাশের প্রক্রিয়া বজায় রাখছে, তবুও চূড়ান্ত নিয়োগ নিয়ে চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ বিদ্যমান।
পিএসসির সুপারিশের পর পুলিশ ভেরিফিকেশনের মতো কাজে অতিরিক্ত সময় লাগার কারণে প্রার্থীরা প্রকৃত সুবিধা পাচ্ছেন না। এই ভেরিফিকেশন এবং চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশের দায়িত্ব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের। এই প্রক্রিয়ায় বিলম্ব হওয়ায় চাকরিপ্রার্থীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমছে না। ক্যাডার প্রত্যাশীরা মনে করছেন, নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে হলে পিএসসির পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কাজের গতি ও সমন্বয় বৃদ্ধি করা অপরিহার্য। তাই চাকরিপ্রার্থীরা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত সিদ্ধান্ত ও কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।।
সুগন্ধি চালের দাম বাড়ায় রপ্তানিতে কড়ল সরকার, কোটা পুনর্বিবেচনার নির্দেশ