Published : 21 Feb 2026, 01:08 AM
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের উত্তেজনা শেষ। আজ থেকে শুরু হচ্ছে সুপার এইট। পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের ম্যাচ দিয়ে শুরু হতে যাওয়া এই লড়াইয়ের আগে, আসুন দেখে নেওয়া যাক গ্রুপ পর্বে কোন পাঁচটি ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স ছিল সেরা। প্রথম নামেই আছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের রোমারিও শেফার্ড। তিনি একাই যেন প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইনআপে ঝড় তুলেছেন। ৭ই ফেব্রুয়ারি ইডেন গার্ডেনে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে তাঁর হ্যাটট্রিক আজও ক্রিকেটপ্রেমীদের মুখে মুখে ফেরে। ইনিংসের ১৭তম ওভারে ম্যাথু ক্রস, মাইকেল লিস্ক ও অলিভার ডেভিডসনকে ফিরিয়ে তিনি শুধু হ্যাটট্রিক করেননি, একই ওভারে সাফিয়ান শরীফকেও আউট করেন। তাঁর দুর্দান্ত বোলিংয়ে স্কটল্যান্ড ৩৫ রানে হেরে যায়। সব মিলিয়ে ৩ ওভারে মাত্র ২০ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন শেফার্ড। এরপর আসা যাক সূর্যকুমার যাদবের কথায়। উইকেটে এসেই তিনি যেন ঝড় তোলেন, প্রতিপক্ষের বোলারদের তিনি দাঁড়াতেই দেন না! যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে তাঁর ব্যাটিং ছিল দেখার মতো।
যখন ভারত ৭৭ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়েছিল, তখন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ৪৯ বলে অপরাজিত ৮৪ রানের ইনিংস খেলে ভারতকে উদ্ধার করেন। শেষ ওভারে সৌরভ নেত্রবালকারের ওভারে তিনি একাই ২১ রান তোলেন। শেষ পর্যন্ত ভারত ৯ উইকেটে ১৬১ রান করে জয় পায়। জিম্বাবুয়ের রূপকথার গল্প শুরু হয়েছে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে। ১৩ই ফেব্রুয়ারির সেই ম্যাচে পেসার ব্লেসিং মুজারাবানি ছিলেন জিম্বাবুয়ের জয়ের নায়ক। তিনি ১৭ রানে ৪ উইকেট নেন। কলম্বোর উইকেটের সুবিধা কাজে লাগিয়ে তিনি নতুন বলে অস্ট্রেলিয়ার ওপেনার জশ ইংলিশ (৮) ও বিপজ্জনক টিম ডেভিডকে (০) আউট করেন। এরপর ১৯তম ওভারে তিনি ৬৫ রান করা ম্যাট রেনশ ও অ্যাডাম জাম্পাকেও আউট করেন। ২৩ রানের এই জয়ের ফলে জিম্বাবুয়ের সুপার এইটের স্বপ্ন পূরণ হয়। এরপর আসা যাক শ্রীলঙ্কার পাতুম নিশাঙ্কার কথায়। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তাঁর সেঞ্চুরিটি ছিল অসাধারণ।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে ঘরের মাঠে তিনি ৫২ বলে সেঞ্চুরি করেন। নিশাঙ্কার এই সেঞ্চুরির সুবাদে শ্রীলঙ্কা মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে ১৮২ রানের লক্ষ্য টপকে যায় এবং সুপার এইটে নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করে। একইসঙ্গে, অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার ভাগ্যও নিশ্চিত হয়। সবশেষে, কানাডার যুবরাজ সামরা। মাত্র ১৯ বছর বয়সেই তিনি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেন। আইসিসির সহযোগী দেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে তিনি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি করার কৃতিত্ব অর্জন করেন। শুধু তাই নয়, তিনি আহমেদ শেহজাদের রেকর্ড ভেঙে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কনিষ্ঠতম সেঞ্চুরিয়ানও হন। এমনকি, ওয়ানডে বিশ্বকাপের সর্বকনিষ্ঠ সেঞ্চুরিয়ান আয়ারল্যান্ডের পল স্টার্লিংকেও তিনি পেছনে ফেলেন। অর্থাৎ, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি—দুই ধরনের বিশ্বকাপেই তিনি এখন কনিষ্ঠতম সেঞ্চুরিয়ান। সামরার ইনিংসটি (১১০) এখন পর্যন্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের মালিক।।
কাপ্তাইয়ের জেলেদের জন্য সুখবর, কৃষি কার্ডে সহায়তা পাবেন প্রায় ২৭ হাজার পরিবার