Published : 23 May 2026, 09:27 PM
রাজধানীর রামপুরা থানাধীন এলাকায় এক মাদ্রাসাছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় মো. শিহাব হোসেন (১৯) নামের এক শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত শিহাব একই মাদ্রাসার ছাত্র। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ আজ বৃহস্পতিবার প্রথম আলোকে জানান, ১৯ মে রাতে রামপুরার এক মাদ্রাসা থেকে শিক্ষার্থীর (১০) লাশ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক সুরতহাল অনুযায়ী, লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) মর্গে পাঠানো হয়েছে। সুরতহাল তৈরীর সময় এমন কিছু প্রমাণ পাওয়া গেছে যা অস্বাভাবিক যৌন নিপীড়নের ইঙ্গিত দেয়। ঘটনায় শিশুটির মা রামপুরা থানায় শিহাবের নাম উল্লেখ করে এবং অন্যান্য অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
মামলায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগও আনা হয়েছে। আরও পড়ুনপল্লবীতে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা: তদন্তের জন্য এক সপ্তাহ সময় নিলেন আইনমন্ত্রী। ৩ ঘণ্টা আগে ডিসি হারুন অর রশীদ জানান, লাশ উদ্ধারের পূর্বে শিহাব মাদ্রাসা ছেড়ে তার গ্রামের বাড়িতে চলে যায়। পরবর্তীতে রামপুরা থানার পুলিশ পাবনার তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে মাদ্রাসার দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, শিহাবের বিরুদ্ধে একই মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ আচরণের অভিযোগ রয়েছে। আরও পড়ুনপল্লবীতে নৃশংস শিশুহত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত সোহেল রানার স্বীকারোক্তি, ১৮ ঘণ্টা আগে। রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর হোসেন প্রথম আলোকে জানান, শিশুটির মা মনে করছেন তার ছেলে ধর্ষণের শিকার হয়েছে, যার কারণে সে আত্মহত্যা করেছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।।
কৃষি ও প্রকৃতির সুরক্ষায় পদ্মা-তিস্তা ব্যারেজ: সরকার নিচ্ছে যুগান্তকারী পদক্ষেপ