Published : 15 Jun 2026, 11:40 PM
প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের স্বস্তি দিতে এবং অর্থনৈতিক গতি ফিরিয়ে আনতে সরকারের সদিচ্ছার কিছু প্রতিফলন দেখা গেলেও, তা যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেছেন ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) নির্বাহী চেয়ারম্যান হিসেবে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে তিনি বলেন, "বাজেটে আন্তরিক প্রচেষ্টা থাকলেও, অর্থনীতিকে নতুন পথে চালিত করার জন্য প্রয়োজনীয় কৌশলগত গভীরতার অভাব স্পষ্ট।" স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বিপুল অর্থ বরাদ্দ প্রসঙ্গে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, বাজেট বড় হলেই উন্নত পরিষেবা নিশ্চিত হয় না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, "স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার মান উন্নয়নের বিষয়ে বাজেটে কোনো সুস্পষ্ট নির্দেশনা বা দিকনির্দেশনা অনুপস্থিত।
" বাজেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমলাতন্ত্রের দক্ষতা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। প্রস্তাবিত ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেটের প্রায় ৬৬ শতাংশ পরিচালন ব্যয়ের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা সরকারি ব্যয়ের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে, বিশেষত যখন প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের জন্য কোনো সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা বা রোডম্যাপ নেই। ব্যাংকিং খাতের সংস্কারের ক্ষেত্রেও তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ব্যাংকিং সংস্কারের কথা বলা হলেও ইসলামী ব্যাংকে চলমান অস্থিরতা সেই প্রচেষ্টার বিশ্বাসযোগ্যতাকে দুর্বল করে দিচ্ছে।
তিনি উপসংহারে বলেন, একদিকে ব্যাংকিং সংস্কারের দাবি এবং অন্যদিকে ইসলামী ব্যাংকের বিশৃঙ্খলা—এই বৈপরীত্য একটি বড় বিশ্বাসযোগ্যতার সংকট সৃষ্টি করেছে। সরকারের ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করাও অত্যন্ত কঠিন বলে তিনি মনে করেন, প্রকৃত রাজস্ব আদায় এই লক্ষ্যের কাছাকাছি পৌঁছানো সম্ভব নয়।।
ছয়টি নবজাতকের মর্মান্তিক মৃত্যুর পর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল