Published : 16 Jun 2026, 02:35 PM
প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের স্বস্তি দিতে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে নতুন পথে চালিত করতে সরকারের কিছু সদিচ্ছার প্রতিফলন দেখা গেলেও, ড. হোসেন জিল্লুর রহমান এই প্রচেষ্টার মধ্যে কৌশলগত গভীরতার অভাব লক্ষ্য করেছেন। পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) নির্বাহী চেয়ারম্যান হিসেবে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে তিনি বলেন, "বাজেটে আন্তরিক প্রচেষ্টা থাকলেও, অর্থনীতিকে সত্যিকারের নতুন গতিপথে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কৌশলগত গভীরতা অনুপস্থিত।" স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বিপুল অর্থ বরাদ্দ প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন যে, কেবল বাজেট বড় হওয়া মানেই উন্নত পরিষেবা নিশ্চিত হওয়া নয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, "বাজেটে স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য কোনো সুস্পষ্ট নির্দেশনা বা রোডম্যাপ নেই।
" বাজেট বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা আমলাতন্ত্রের দক্ষতা নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। প্রস্তাবিত ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেটের প্রায় ৬৬ শতাংশই পরিচালন ব্যয়ের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা সরকারি ব্যয়ের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে, বিশেষত যখন প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের জন্য কোনো অর্থপূর্ণ কর্মপরিকল্পনা বা রোডম্যাপ অনুপস্থিত। ব্যাংকিং খাতের দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করে জিল্লুর রহমান আরও বলেন, বাজেটে কিছু সংস্কারের কথা বলা হলেও, ইসলামী ব্যাংকে চলমান অস্থিরতার কারণে সেই সংস্কারের বিশ্বাসযোগ্যতা কমে যাচ্ছে। তিনি এই বৈপরীত্য তুলে ধরে বলেন, "একদিকে ব্যাংকিং সংস্কারের কথা বলা হচ্ছে, অন্যদিকে ইসলামী ব্যাংকে বিশৃঙ্খলা বিদ্যমান—এই বৈসাদৃশ্য একটি বিশ্বাসযোগ্যতার সংকট তৈরি করছে।
" এছাড়াও, সরকারের ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা সম্পর্কে তিনি সংশয় প্রকাশ করেন এবং মনে করেন, প্রকৃত রাজস্ব আদায় এই লক্ষ্যের কাছাকাছি পৌঁছানো অসম্ভব।।
ছয়টি নবজাতকের মর্মান্তিক মৃত্যুর পর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল