Published : 03 Jul 2026, 12:47 PM
নরওয়ে ও ইরাকের মধ্যকার এই ম্যাচে এক অন্যরকম নাটকীয়তা দেখা যায়। ম্যাচের ৮৩ মিনিটে নরওয়ের গোল হওয়ার পর আর্লিং হলান্ড ডান প্রান্ত থেকে দুটি গোল করে একাই ইতিহাস সৃষ্টি করেন। যদিও বল লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় তাঁর হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ হয় না। তবুও এই ম্যাচে হলান্ডের পারফরম্যান্স ছিল অসাধারণ। এরপরই আসে ইরাকের গোল। ৪০ বছর পর ইরাক এই ম্যাচে একটি গোল করে নিজেদের নাম উজ্জ্বল করে তোলে। এই ম্যাচটি ছিল এক 'হলান্ড শো'—যেখানে গোল আশা করা হলেও তা পুরোপুরি পূরণ হয়নি। তবে ম্যাচের অন্যান্য ঘটনাও ছিল চোখে পড়ার মতো। ২৯ মিনিটে হলান্ড যখন নরওয়েকে এগিয়ে দেন, তখন পরবর্তী সময়ে একটি আত্মঘাতী গোল ঘটে।
এই গোলটি ছিল ইরাকের আইমেন হুসেইনের, যিনি বিশ্বকাপে বিরল এক তালিকায় নাম লেখান। তিনি এক ম্যাচে গোল এবং আত্মঘাতী গোল উভয়ই করেন। বিশ্বকাপে তৃতীয় খেলোয়াড় হিসেবে এই রেকর্ডটি তৈরি করেন তিনি। এই গোলের ফলে ইরাক দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে আসা দল হিসেবে গোল পেল। বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম ও দ্বিতীয় গোলের মধ্যে এই ব্যবধান ছিল দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এই ম্যাচে নরওয়ের জয় ছিল ৪-১। এই জয়ের ফলে নরওয়ে গ্রুপে শীর্ষে ওঠে। এই ম্যাচের মাধ্যমে ইরাক আবারও বিশ্বকাপে নিজেদের অবস্থান মজবুত করে। আরও পড়ুনসেই মেসি, সেই এমবাপ্পে: আবার শুরুর অপেক্ষায়৮ ঘণ্টা আগে ১৯৩৮ বিশ্বকাপের পর ৫৬ বছর ২৮ দিনের বিরতি নিয়ে ১৯৯৪ বিশ্বকাপে এই যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতেই দ্বিতীয় গোল পেয়েছিল নরওয়ে।
সেই নরওয়ে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে এবার প্রথম ম্যাচেই পেল চার গোলের দেখা। বিশ্বকাপে এটাই তাদের সবচেয়ে বড় জয়। আর সেই জয়ে যে হলান্ডের অবদানই বেশি, তা না বললেও চলে।‘আই’ গ্রুপে প্রথম ম্যাচ জিতেই শীর্ষে নরওয়ে। দ্বিতীয় ফ্রান্সের সংগ্রহও সমান ৩ পয়েন্ট। গোল ব্যবধানে নরওয়ের সঙ্গে পিছিয়ে দিদিয়ের দেশমের দল। পয়েন্ট না পাওয়া সেনেগাল তিনে ও ইরাক চারে। আরও পড়ুন‘অভিনন্দন’ এমবাপ্পে, বিশ্বকাপে গোলের রেকর্ড ভাঙবেন কবে২ ঘণ্টা আগে।
দিল্লির বিমানবন্দরে অভিজ্ঞতা: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার চোখে এক 'তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ'