Published : 06 Jul 2026, 08:52 AM
জাতীয় সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জানিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত 'এগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ' (এআরটি) চুক্তি দেশের জন্য বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও মজবুত করবে। যদিও এই চুক্তিটি নিয়ে রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিশেষজ্ঞরা ভিন্নমত পোষণ করেছেন, তবুও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই চুক্তির ইতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরেন। এই চুক্তির ফলে মার্কিন তুলা ব্যবহার করে তৈরি পোশাকের ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধা নিশ্চিত হয়েছে।
চুক্তিটি বৈদেশিক অর্থ প্রবাহ বৃদ্ধি, জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের গুরুত্ব বাড়াতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই চুক্তিটি তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক গত ৯ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। চুক্তি অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা, জ্বালানি সামগ্রী, সয়াবিন, গম এবং বিমানসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের কিছু বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়েছে।
তবে, বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই চুক্তির শর্তাবলী মেনে চলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ রাজস্ব হারাতে পারে এবং মার্কিন অনুমতি সাপেক্ষে অনেক শর্ত পালন করতে হবে, যা পণ্যের দাম বৃদ্ধির দিকে ঠেলে দিতে পারে।।