Published : 09 Jul 2026, 03:57 AM
বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে দুই দেশ একমত হয়েছে। এই সম্পর্ককে এক নতুন মাত্রা দেওয়ার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ বলে অভিহিত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, চীনের প্রস্তাবিত করিডোর সংক্রান্ত বিষয়গুলো বর্তমানে বাংলাদেশ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করছে, তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত অবস্থান গ্রহণ করা হয়নি। শনিবার (২৭ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই তথ্য প্রদান করেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, করিডোর প্রস্তাবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো পরিবহন খরচ কমানো। সাংবাদিকরা জানতে চাইলে, চীন সফর থেকে বাংলাদেশ কী লাভ করল, তার জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, 'আমরা কোনো সাহায্য ভিক্ষা করে আসিনি।
এই সফর দুই দেশের সম্পর্কের অভিমুখ ঠিক করার জন্য। যদি এই লক্ষ্য পূরণ হয়, তবে অন্যান্য সুবিধাগুলো ভবিষ্যতে আসবে। এই বিষয়ে আত্মমর্যাদা বজায় রাখা উচিত এবং এই ধরনের অস্বস্তিকর প্রশ্ন করা ঠিক নয়।' তিস্তা নদী মহাপরিকল্পনা প্রসঙ্গে খলিলুর রহমান জানান, এই বিষয়ে চীনের সঙ্গে আলোচনায় যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, 'তিস্তা প্রকল্পের আলোচনা অনেক দূর এগিয়েছে এবং আমরা আশা করছি, খুব শীঘ্রই এই প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই প্রক্রিয়া শুরু হবে।' দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের গভীরতা তুলে ধরে তিনি বলেন, 'বাংলাদেশ ও চীন তাদের সম্পর্ককে সর্বোচ্চ স্তরে উন্নীত করতে একমত হয়েছে।
' তিনি যোগ করেন যে, বেইজিং বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে এই স্তরের অংশীদারিত্ব বজায় রাখে না। এশিয়ার থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, কম্বোডিয়া, পাকিস্তান এবং ইন্দোনেশিয়ার মতো সীমিত সংখ্যক দেশের সাথেই তাদের এমন সম্পর্ক বিদ্যমান। এখন বাংলাদেশও সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি বাংলাদেশ ও চীনের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত গুরুত্ব এবং দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিফলন।।
অর্থ মন্ত্রকের নতুন নির্দেশ: সরকারি অর্থ ব্যয়ে গাড়ি কেনা ও বিদেশ সফর আপাতত স্থগিত