Published : 09 Jul 2026, 08:33 AM
দেশের বন্ধ বা মূলধন সংকটে থাকা শিল্প ও সেবা খাতকে নতুন করে গতি দিতে বাংলাদেশ ব্যাংক একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে। এই লক্ষ্যে, ২০ হাজার কোটি টাকার আবর্তনশীল (রিভলভিং) প্রি-ফাইন্যান্স স্কিমের সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য তফসিলি ব্যাংকগুলোর জন্য একটি বিস্তারিত নীতিমালা প্রকাশ করেছে। আজ মঙ্গলবার (৭ জুলাই), কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং রেগুলেশন অ্যান্ড পলিসি ডিপার্টমেন্ট-৩ (বিআরপিডি-৩) এই সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে কার্যক্রম পরিচালনার সম্পূর্ণ রূপরেখা প্রদান করেছে। এই স্কিমের অর্থায়ন হবে তফসিলি ব্যাংকগুলোর উদ্বৃত্ত তারল্য থেকে।
এই সুযোগ নিতে আগ্রহী ব্যাংকগুলোকে অবশ্যই বিআরপিডি-৩-এর সঙ্গে একটি 'অংশগ্রহণ চুক্তি' স্বাক্ষর করতে হবে। এরপর, পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন সাপেক্ষে, ব্যাংকগুলো গ্রাহকদের ঋণ দেওয়ার আগে নির্দিষ্ট নথিপত্রসহ আবেদন করতে পারবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক কঠোর শর্ত আরোপ করেছে। যেসব ঋণগ্রহীতা ইতোমধ্যে অন্যান্য পুনঃঅর্থায়ন বা প্রাক-অর্থায়ন স্কিম থেকে চলতি মূলধন নিচ্ছেন, তাদের প্রকৃত প্রয়োজন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করতে হবে।
আর্থিক স্বচ্ছতা ও জালিয়াতি রোধে, অংশগ্রহণকারী ব্যাংকগুলোর জন্য সাধারণ নথিপত্রের পাশাপাশি আবেদনকারীদের কাছ থেকে কিছু বিশেষ ঘোষণা ও প্রতিবেদন সংগ্রহ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—ঋণগ্রহীতার পক্ষ থেকে নিশ্চিতকরণ সনদ, উৎপাদন সক্ষমতার প্রমাণপত্র, সুবিধাভোগী প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় ও রাজস্বের বিবরণ, এবং প্রতি তিন মাস অন্তর ব্যাংক কর্তৃক কারখানা পরিদর্শনের অঙ্গীকার ও প্রতিবেদন জমা দেওয়া। এই নিয়মাবলী মেনে অংশগ্রহণকারী ব্যাংকগুলোকে প্রতি প্রান্তিক শেষে ১০ তারিখের মধ্যে ত্রৈমাসিক বিবরণী বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে জমা দিতে হবে।।
অর্থ মন্ত্রকের নতুন নির্দেশ: সরকারি অর্থ ব্যয়ে গাড়ি কেনা ও বিদেশ সফর আপাতত স্থগিত