Published : 02 Aug 2026, 01:16 PM
যশোরের চৌগাছা সরকারি কলেজের এক ছাত্রীর ধর্ষণের অভিযোগের মামলায় ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরাফাত হোসেনকে (২২) পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তির ঠিকানা চৌগাছা উপজেলার অন্তর্গত। এই তরুণীটি উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, আরাফাত হোসেন মোটরসাইকেলে করে ওই ছাত্রীটিকে চৌগাছা শহরে নিয়ে যান এবং পরবর্তীতে নিজের ভাড়া বাড়িতে তাকে ধর্ষণ করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশীদ জানিয়েছেন, ধর্ষণের শিকার মেয়েটি নিজেই বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য দ্রুত যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
অভিযুক্তকে আজ আদালতে হাজির করা হবে। পুলিশ ও মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, তরুণীটির পরিবারের পক্ষ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংক্রান্ত বিষয়ে স্বজন আরাফাতের সহযোগিতা চাওয়া হয়। সাপ্তাহিক ছুটির কারণে নির্বাচন কার্যালয় বন্ধ থাকলেও, সকাল সাড়ে নয়টার দিকে আরাফাত হোসেন ওই তরুণীকে শহরে নিয়ে যান এবং পরে তাকে নিজের বাসস্থানে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার পেছনে ১৫ বছর ধরে তরুণীর পরিবারের সঙ্গে অভিযুক্তের পরিবারের মধ্যে চলমান বিরোধ রয়েছে, যা মামলার প্রেক্ষাপটকে আরও জটিল করে তুলেছে। অভিযোগ উঠেছে যে, মামলাটি শুধুমাত্র রায় নিজেদের পক্ষে আনার জন্য ধর্ষণের নাটক সাজিয়ে করা হয়েছে।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে চৌগাছা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব ইমন হাসান বলেন, আরাফাত হোসেন ছাত্রদলের কলেজ শাখার নেতা। তাঁর বিরুদ্ধে আনা ধর্ষণের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিরোধের জের ধরেই এই মামলা তৈরি করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।।