Published : 06 Nov 2025, 06:06 AM
আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে জুলাই মাসের বীর যোদ্ধাদের এবং শহীদ পরিবারের প্রায় ৩০০ সদস্যকে সাংবাদিকতা ও চলচ্চিত্র নির্মাণে দক্ষ করে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম। তিনি মনে করেন, জুলাই মাসের যোদ্ধারা এবং গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা যদি মিডিয়ার সঙ্গে যুক্ত হন, তাহলে গণমাধ্যমের মানোন্নয়ন ঘটবে। বুধবার (৫ নভেম্বর) জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটে ‘জুলাই যোদ্ধাদের জন্য অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ’ সমাপন ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন। তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জুলাই মাসের যোদ্ধাদের মিডিয়া জগতে আসার জন্য উৎসাহিত করেন এবং বলেন, “দেশের বৃহত্তর স্বার্থে জুলাই মাসের বীর যোদ্ধাদের মিডিয়া ইকোসিস্টেমে সক্রিয় হওয়া উচিত। গণমাধ্যমের ইতিবাচক পরিবর্তনে তাদের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।
” মাহফুজ আলম আরও বলেন, “বর্তমানে গণমাধ্যমে আওয়ামী লীগের সমর্থকদের প্রভাব রয়েছে, যা সহজে চোখে পড়ে না। মিডিয়ার দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তরের অনেকেই আওয়ামী লীগের অনুসারী এবং তারা বিভিন্ন উপায়ে দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছেন।” জুলাই মাসের যোদ্ধাদের জন্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের গৃহীত পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি), জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট এবং চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (বিসিটিআই) সম্মিলিতভাবে জুলাই মাসের যোদ্ধা ও গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া পরিবারের সদস্যদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। ডিসেম্বরের মধ্যে কমপক্ষে ৩০০ জন যোদ্ধা ও পরিবারের সদস্যকে সাংবাদিকতা ও চলচ্চিত্র নির্মাণে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।” তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাস্তবায়িত এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে জুলাই মাসের যোদ্ধা, শহীদ পরিবারের সদস্য এবং গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের অংশ নেওয়ার জন্য বিশেষভাবে আহ্বান জানান উপদেষ্টা।
জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক নূর মো. মাহবুবুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ইনস্টিটিউটের উপপরিচালক মোহাম্মদ আবু সাদেক ও সুমনা পারভীন বক্তব্য রাখেন। প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্য থেকে আমিনুল ইসলাম ইমন ও সোহেলী তামান্না তাদের অনুভূতি প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।।
বাজেট ঘাটতি মেটাতে বিপুল ঋণ নিলে বেসরকারি বিনিয়োগের পথে বাধা: আইসিএবি-র সতর্কতা