Published : 19 Jan 2026, 03:05 PM
বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রয়াণে গভীর দুঃখ ও সমবেদনা জানিয়েছে বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি (এপিইউবি)। গতকাল রবিবার গুলশানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এপিইউবির সভাপতি মো. সবুর খান এবং মহাসচিব ইশতিয়াক আবেদের নেতৃত্বে আট সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল খালেদা জিয়ার শিক্ষাখাতে অবদান স্মরণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। ১৯৯২ সালে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই জাতীয় সংসদে প্রথমবারের মতো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার নীতিগত অনুমোদন আসে, যা দেশের উচ্চশিক্ষাব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।
তাঁর সুদূরপ্রসারী vision-এর ফলস্বরূপ, বর্তমানে ৪ লক্ষেরও বেশি শিক্ষার্থী আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা গ্রহণ করতে পারছে, যা একইসঙ্গে দেশের মানবসম্পদ উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিশ্ব সংযোগ স্থাপনে সহায়ক হচ্ছে। আরও পড়ুন শিক্ষার্থীদের আজীবন ক্যারিয়ার সেবা যেভাবে দেয় যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ৬ ঘণ্টা আগে মতবিনিময়কালে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার প্রেক্ষাপট, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা, সমস্যা এবং সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। তারেক রহমান এই সময় শিক্ষিত তরুণ প্রজন্ম, পেশাজীবী এবং উদ্যোক্তাদের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের নতুন উৎস হিসেবে কনটেন্ট তৈরি, ফ্রিল্যান্সিং এবং অনলাইন ট্রেডিংয়ের সুযোগ এবং এই সকল কার্যক্রমকে সহায়তার জন্য আধুনিক হাইটেক সিটি নির্মাণের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
আরও পড়ুন ইউরোপের যে ৫ দেশে পরিবারসহ পড়াশোনার সুযোগ ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, এপিইউবি ভাইস চেয়ারম্যান কে বি এম মঈন উদ্দিন চিশতী, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আজিজ আল কায়সার, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান তামারা হাসান আবেদ, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য এম এ কাশেম, এবং ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য জাভেদ হোসাইনসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।।
জনসাধারণের সমর্থন না থাকলে পরিস্থিতি ভিন্ন হতো: ক্রিকেটার নাঈম হাসানের অভিযোগ