Published : 27 May 2026, 08:19 AM
ঢাকার সাভারে কর্মরত সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরমান আলীকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, দ্রুত সময়ের মধ্যে মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে না পারা এবং এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ঢাকা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম, অপস ও ট্রাফিক) মো. জাহাঙ্গীর আলম দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে জানান, প্রশাসনিক কারণে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। লিখিত আদেশ এখনো হাতে না পেলেও মৌখিকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। সম্প্রতি সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনার পরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।
কর্তৃপক্ষের ধারণা, ওসি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যথাযথ ভূমিকা পালন করতে ব্যর্থ হয়েছেন। এর আগে, এই হামলার ঘটনায় জড়িত প্রধান সন্দেহভাজন মাদক কারবারি মো. শামীম রেজার সাথে যোগাযোগ রাখার অভিযোগে সাভার মডেল থানা পুলিশের ৩ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়। গত শুক্রবার (২২ মে) সাভারের পশ্চিম রাজাশন এলাকায় বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেল এসএ টিভির প্রতিনিধি সাদ্দাম হোসেন, দেশ টিভির সিনিয়র রিপোর্টার তাইফুর রহমান তুহিন, ক্যামেরাপারসন মনিরুল কাইয়ুম এবং দেশ টিভির প্রাইভেটকার চালক জয়নাল পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে হামলার শিকার হন। গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয় এবং পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৪ জনকে আটক করে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাংবাদিক তুহিন জানান, তারা শামীম রেজার মাদক ব্যবসা এবং মাদকের বিস্তার নিয়ে তথ্য সংগ্রহের জন্য গিয়েছিলেন। তাদের সাথে এসএ টিভির প্রতিনিধি সাদ্দামও ছিলেন।
কাজ শেষে ফেরার পথে তারা আকস্মিকভাবে হামলার শিকার হন। এই ঘটনায় দেশ টিভির প্রধান বার্তা সম্পাদক মো. ফখরুল ইসলাম মজুমদার ২১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও প্রায় ৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে সাভার মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। এর আগে, এসএ টিভিতে শামীম রেজার মাদক সিন্ডিকেট ও প্রভাব নিয়ে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। প্রথম প্রতিবেদনের পর র্যাব শামীমের আস্তানায় অভিযান চালায় এবং তার কাছ থেকে ৩ জনকে মাদক ও একটি বিদেশি পিস্তলসহ আটক করে। যদিও শামীমকে তখন খুঁজে পাওয়া যায়নি।।
আলোচিত মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’-এর কোরবানির হচ্ছে না, ঠিকানা এখন চিড়িয়াখানা!