Published : 11 Jun 2026, 02:37 AM
আমাদের জীবন আসলে অসংখ্য ছোট-বড় পছন্দের সমষ্টি। প্রতিটি বাঁকে আমাদের কোনো না কোনো কঠিন সিদ্ধান্তের মুখোমুখি হতে হয়। কখনও কর্মজীবন নিয়ে—এই পথটি কি আমার জন্য সঠিক, নাকি আরও উন্নত কিছুর জন্য অপেক্ষা করব? আবার কখনও জীবনসঙ্গী নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে—এই মানুষটিকে জীবনসঙ্গী হিসেবে গ্রহণ করা কি সঠিক হবে, নাকি প্রত্যাখ্যান করা উচিত? অনেকে 'ইস্তিখারা' (আল্লাহর কাছে কল্যাণ প্রার্থনা) করার পরেও মনের গভীরে পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পারেন না। এই মানসিক অস্থিরতা ও সিদ্ধান্তহীনতা দূর করতেProphet Muhammad (সা.) একটি সংক্ষিপ্ত অথচ অত্যন্ত শক্তিশালী একটি দোয়া শিখিয়েছেন। হজরত আলি ইবনে আবি তালিব (রা.) বর্ণনা করেছেন, নবীজি তাঁকে নির্দেশ দিয়েছেন, “তুমি বলো: ‘আল্লাহুম্মাহদিনী ওয়া সাদ্দিদনী’ (হে আল্লাহ, আমাকে সঠিক পথ দেখান এবং সঠিক পথে অবিচল রাখুন)।
” (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৭২৫)। জীবনের প্রতিটি কঠিন ও অনিশ্চিত মুহূর্তে আল্লাহর নবীর এই দোয়াটিই ছিল মনের স্থিরতা ও সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের মূল চাবিকাঠি। নবীজি যখন এই দোয়াটি শেখাতেন, তখন তিনি একটি চমৎকার উপমা দিয়ে এর গভীর অর্থ বুঝিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘হেদায়েত’ (সঠিক পথ) প্রার্থনা করার সময় মনে আল্লাহর দেখানো সরল পথের কথা ভাবুন। আর ‘সাদাদ’ (অবিচলতা) প্রার্থনা করার সময় ধনুক থেকে নিখুঁতভাবে ছুটে যাওয়া তীরের কথা স্মরণ করুন, যা কোনো দিকে না বেঁকে সরাসরি লক্ষ্যে আঘাত করে।
(ইবনে হাজার আসকালানি, ফাতহুল বারি শারহ সহিহ আল-বুখারি, ১১/৯৬, দারুল মাআরিফা, বৈরুত, ১৩৭৯ হিজরি)। এই দোয়াটি পড়ার জন্য কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা বা সীমা বেঁধে দেওয়া হয়নি। যে কোনো মানুষ তাঁর দৈনন্দিন জীবনে ছোট বা বড়—যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের মুখোমুখি হলেই মনে মনে বা উচ্চস্বরে এই দোয়াটি বারবার পাঠ করতে পারেন। নিয়মিত অভ্যাসের জন্য কিছু বিশেষ সময় বেছে নেওয়া যেতে পারে, যখন দোয়া কবুল হওয়ার সম্ভাবনা সর্বাধিক থাকে: * রাতের শেষ তৃতীয়াংশে: * আজান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়ে: * ফরজ নামাজের শেষ বৈঠকে: * সেজদারত অবস্থায়:।
টাকা পাচার রুখতে 'বেনিফিসিয়াল ওনারশিপ রেজিস্টার' তৈরির উদ্যোগ: অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা