Published : 25 Jul 2026, 06:11 AM
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ প্রসঙ্গে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান মন্তব্য করেছেন, "স্বৈরাচারের এক কালো ছায়া সরে গেল। তিনি কেন পদত্যাগ করলেন, সে বিষয়ে আমাদের কোনো আগ্রহ নেই। আমরা আগেই বুঝেছি যে, তিনি প্রেসিডেন্ট পদে থাকার যোগ্য ছিলেন না এবং তার যোগ্যতা হ্রাস পেয়েছে।" রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই বক্তব্য দেন। ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন জামায়াত আমির। তিনি জোর দিয়ে বলেন, "গণহত্যার বিরুদ্ধে তিনি কোনো প্রতিবাদ বা উচ্চারণ করেননি।
" জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হওয়ায় জামায়াত আমির তাঁকে অভিনন্দন জানান। তিনি আরও আশ্বাস দেন যে, "যতদিন তিনি দায়িত্ব পালন করবেন, আমরা আশা করব তিনি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও নির্মোহভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। কারো প্রতি কোনো পক্ষপাতিত্ব করবেন না। যদি তিনি এভাবে দায়িত্ব পালন করেন, আমরা তাঁকে সর্বাত্মক সমর্থন দেব।" সংবিধান অনুযায়ী, আগামী তিন মাসের মধ্যে পরবর্তী রাষ্ট্রপতির নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। এই প্রক্রিয়া নিয়ে শফিকুর রহমানের বক্তব্য, "নব্বই দিনের মধ্যে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার কথা।
যেহেতু এই সময়ের মধ্যে সংসদ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে, তাই স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায়ই নির্বাচন হবে। আমাদের ভূমিকা কী হবে, তা সময় এলে স্পষ্ট হবে।" তিনি আরও যোগ করেন, "যদি একাধিক প্রার্থী থাকে, তবে সংসদে ভোটের মাধ্যমে যে প্রার্থী সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করবেন, তিনিই হবেন রাষ্ট্রপতি।"।
আসিয়ানকে আরও মজবুত করতে বাংলাদেশের অঙ্গীকার: আঞ্চলিক সহযোগিতার পথে নতুন দিগন্ত