Published : 25 Jul 2026, 08:14 AM
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও আন্তঃদেশীয় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার ক্ষেত্রে আসিয়ান এবং এর সহযোগী দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা আরও বাড়ানোর দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করেছেন। ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় মৈত্রী ও সহযোগিতা চুক্তির (ট্রিটি অব অ্যামিটি অ্যান্ড কো-অপারেশন-টিএসি) পঞ্চাশতম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক স্মারক অনুষ্ঠানে তিনি এই বার্তা দেন। পরবর্তীতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়। ড. খলিলুর রহমান জোর দিয়ে বলেন, সম্মিলিতভাবে যৌথ আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা, অভিন্ন ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং আঞ্চলিক সংকট মোকাবিলার কাঠামো তৈরি করে এই চ্যালেঞ্জগুলোর মোকাবিলায় নিজেদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা সম্ভব।
তিনি উল্লেখ করেন যে মহামারি, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব, সাইবার আক্রমণ এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের বাধাগুলো সামাল দিতে বৈশ্বিক স্তরে সমন্বিত পদক্ষেপ অপরিহার্য। এছাড়াও, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ভর সাইবার অপরাধ এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো ভুল তথ্য নিয়ন্ত্রণের উপায়গুলোও তিনি তুলে ধরেন। পাঁচ দশক আগে স্বাক্ষরিত টিএসি চুক্তিটি এই অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতি নির্ধারণ করেছিল। বাংলাদেশ ২০০৭ সালে এই চুক্তিতে যোগদান করে আসিয়ানের নীতিভিত্তিক কাঠামোর সঙ্গে চুক্তিভিত্তিক অঙ্গীকারে আবদ্ধ হয় এবং দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দিকের দেশগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।
টিএসি-র এই বিশেষ অনুষ্ঠানে ড. খলিলুর রহমান চিলি, নেদারল্যান্ডস ও কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে পৃথক দ্বিপক্ষীয় আলোচনা করেন। এই বৈঠকগুলোতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি সরবরাহ, জল সম্পদ ব্যবস্থাপনা, বৈধ অভিবাসন এবং সার্কুলার অর্থনীতি—এই মতো পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে গভীর আলোচনা হয়। বর্তমানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় মৈত্রী ও সহযোগিতা চুক্তির ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচিতে অংশ নিতে ম্যানিলা সফর করছেন এবং একই সাথে ৩৩তম আসিয়ান রিজিওনাল ফোরাম (এআরএফ)-এর পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন।।
স্বৈরাচারের অন্ধকার দূর হলো: রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের প্রেক্ষাপটে জামায়াত আমিরের মন্তব্য