Published : 17 Aug 2026, 04:16 PM
ফুকেট থেকে দিল্লির ফ্লাইটের মারাত্মক ঘটনার পর টাটা মালিকানাধীন এয়ারলাইন এয়ার ইন্ডিয়া প্রাথমিক মাদক পরীক্ষা চালানোর নির্দেশ দেয়। এই পরীক্ষায় আরও দুজন পাইলট নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারেননি এবং ব্যর্থ হন। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, এই চূড়ান্ত পরীক্ষার ফলাফল এখনো প্রকাশিত হয়নি। তবে এই দুই পাইলটকে ডিউটি তালিকা থেকে সাময়িকভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে। নতুন মানসম্মত পরিচালন পদ্ধতির অংশ হিসেবে এয়ারলাইনটি তার সকল পাইলটকে মাদক পরীক্ষা করানোর সিদ্ধান্ত নেয়। এর আগে, ওই ফ্লাইটের প্রধান পাইলট অবতরণের পর দুটি প্রস্রাবের নমুনা পরীক্ষায় ব্যর্থ হন এবং তাঁর শরীরে গাঁজার উপস্থিতি শনাক্ত হয়।
এই ঘটনার পরই এয়ার ইন্ডিয়া এই কঠোর পদক্ষেপ নেয়। বর্তমানে এয়ার ইন্ডিয়ার ৩০০-এরও বেশি পাইলট এই পরীক্ষার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। সূত্রমতে, চূড়ান্ত মাদক পরীক্ষার ফলাফল আসতে সাধারণত ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা সময় লাগে। এই উড়ানের সময় বিমানটি ছিল এয়ারবাস এ-৩২০নিও মডেলের। হঠাৎ করেই বিমানটি ৩০০ ফুট নিচে নেমে যাওয়ার ঘটনাটি aviation জগতে আলোচনার জন্ম দেয়। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই চার সেকেন্ডের মধ্যে বিমানের এলিভেটর এবং এলেরনসহ মূল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাগুলো সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
একইসঙ্গে হাইড্রলিক সিস্টেমের ব্যর্থতার কারণে স্পয়লারগুলোও নিজেদের নিয়ন্ত্রণ হারায়। সেই স্বল্প সময়ে, এ-৩২০নিও-র এলিভেটর ও এলেরনগুলো জেটের তিনটি হাইড্রলিক সিস্টেমের একাধিক ত্রুটির ফলস্বরূপ কোনো পাইলটের নির্দেশ ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিচ্যুত হয়ে যায়, যা এই ধরনের বিমান পরিচালনার ইতিহাসে আগে ঘটেনি। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে কেবল 'ঝঞ্ঝাট' (টারবুলেন্স) হিসেবে জানানো হলেও, পরবর্তীকালে উড়োজাহাজের ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নথি থেকে পাওয়া নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে এয়ার ইন্ডিয়া স্পষ্ট করে জানায় যে তারা বেসামরিক বিমান চলাচল বিষয়ক সমস্ত বিধিবিধান মেনে নিয়মিতভাবে কেবিন ও উড়োজাহাজের কর্মীদের মাদক পরীক্ষার ব্যবস্থা রাখে। কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে এই পরীক্ষা কোনো নির্দিষ্ট ফ্লাইট বা পরিচালনাগত ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়।।
সৌদি আরবের রাজপুত্র মোহাম্মদ বিন সালমানের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য আমন্ত্রণ