Published : 18 Aug 2026, 05:16 PM
হবিগঞ্জে জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্যসচিব মাহদী হাসান এবং আরও দুই ব্যক্তির আটকাদেশের ২১ ঘণ্টা পর পুলিশ তাদের মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দিয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর তিনটায় এই মুক্তি ঘটে। গতকাল সোমবার বিকেল সাড়ে পাঁচটায় হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট মসজিদের সামনে থেকে এই তিনজনকে আটক করা হয়েছিল। পুলিশ জানিয়েছে, অভিভাবকদের জামিন দেওয়ার পর মাহদী হাসান, সংগঠনের সদস্য মীর্জা সুমন এবং রাজু আহমেদকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। আটক থাকার সময় মাহদী হাসান সাংবাদিকদের বলেন, তাঁর নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে তাঁকে থানায় রাখা হয়েছে, অথচ যারা তাঁর জন্য হুমকি দিত, তারা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
বরং তাঁকে অন্যরকম শাস্তি দেওয়া হয়েছে। গত জানুয়ারিতে একটি বক্তব্য দেওয়ার মাধ্যমে তিনি আলোচনার কেন্দ্রে এসেছিলেন। সেই সময়ে তিনি দাবি করেছিলেন যে, ‘বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে কিন্তু আমরা জ্বালাই দিয়েছিলাম।’ এই মন্তব্যের জেরেই পুলিশ তাঁকে আটক করলেও পরে ছাড় দেয়। গতকাল বিকেলে হবিগঞ্জ জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে শহরের কোর্ট মসজিদের সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ কর্মসূচির প্রস্তুতি চলছিল।
এই কর্মসূচির সময় বিকেল সাড়ে পাঁচটায় হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার একদল পুলিশ সেখানে উপস্থিত হয় এবং মাহদী হাসানসহ তিনজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। প্রতিবাদ করতে চাইলে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। আজ বেলা তিনটায় মাহদী হাসানের বাবা তৈয়বুর রহমানসহ আটক তিনজনের অভিভাবকেরা থানায় যান এবং মুচলেকা প্রদানের মাধ্যমে তাঁদের মুক্তি পান। হবিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক জানান, অভিভাবকেরা মুচলেকা দিয়ে নিয়ে গেছেন, তবে সেই মুচলেকায় কী লেখা ছিল, সে বিষয়ে তিনি কিছু বলেননি।।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের নেই, ২০ আগস্ট নির্বাচন