Published : 08 May 2026, 02:06 PM
যুক্তরাষ্ট্রীয় পররাষ্ট্র দপ্তর ঘোষণা করেছে, যেসব আমেরিকান নাগরিক তাদের সন্তানদের ভরণপোষণে উল্লেখযোগ্য অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়েছেন, তাদের পাসপোর্ট বাতিল করা হতে পারে। প্রায় ১ হাজার ৮৪৪ ইউরোর (২ হাজার ৫০০ ডলার) বেশি বকেয়া থাকলে এই পদক্ষেপের আওতায় আসা ব্যক্তিদের পাসপোর্ট বাতিল করা হবে। তবে, মূলত বড় অঙ্কের বকেয়া থাকা ব্যক্তিদের দিকে নজর রাখা হবে। মার্কিন আইন অনুযায়ী, আদালতের মাধ্যমে একজন অভিভাবক অন্য অভিভাবককে সন্তানের খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদান করতে বাধ্য থাকেন। পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, মার্কিন আইন কঠোরভাবে পালন এবং আমেরিকান পরিবারগুলোকে সহায়তা করার জন্য তারা এই ‘বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ’ নিচ্ছে। এর মাধ্যমে অভিভাবকদের সন্তানদের প্রতি ‘আইনগত ও নৈতিক কর্তব্য’ পালনে উৎসাহিত করা হবে।
বকেয়া পরিশোধের জন্য সংশ্লিষ্ট রাজ্য সংস্থার সাথে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, অন্যথায় পাসপোর্ট বাতিল হতে পারে। একবার পাসপোর্ট বাতিল হলে, সেটি আর কোনো ভ্রমণে ব্যবহার করা যাবে না। বকেয়া পরিশোধ না করা পর্যন্ত নতুন পাসপোর্ট ইস্যু করা হবে না। পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে জানায়, ‘ফেডারেল আইনের অধীনে সন্তানদের ভরণপোষণে অবহেলাকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে এই পদক্ষেপ আমেরিকান শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।’ ১৯৯৬ সালের একটি ফেডারেল আইনে সন্তানের ভরণপোষণ বাবদ ২ হাজার ৫০০ ডলারের বেশি বকেয়া থাকলে পাসপোর্ট বাতিলের সুযোগ ছিল, কিন্তু খুব কমই এটি প্রয়োগ করা হয়েছে। আগে সাধারণত পাসপোর্ট নবায়নের সময় এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হতো।
নতুন নীতি অনুযায়ী, পররাষ্ট্র দপ্তর স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগের সাথে যৌথভাবে বকেয়া ব্যক্তিদের চিহ্নিত করবে এবং তাদের পাসপোর্ট বাতিল করবে। এই নীতি কবে থেকে কার্যকর হবে, তা এখনো জানানো হয়নি, তবে ধারণা করা হচ্ছে এটি শুক্রবার থেকেই কার্যকর হতে পারে। বিবিসি পররাষ্ট্র দপ্তরের সাথে যোগাযোগ করে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করছে। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের খবরে বলা হয়েছে, পাসপোর্ট বাতিল হওয়া ব্যক্তিরা যদি যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থাকেন, তবে তাদের দেশে ফিরতে দূতাবাসের মাধ্যমে জরুরি ভ্রমণপত্র সংগ্রহ করতে হবে।।
২৩ দিনের বিরতির পর প্রাণ ফিরে পেল ইস্টার্ন রিফাইনারি, শনিবার থেকে তেল সরবরাহ শুরু