Published : 11 May 2026, 12:05 AM
দেশের ৬টি অত্যাধুনিক শিশু হাসপাতাল দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়, ৩২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত রংপুর, খুলনা, রাজশাহী, বরিশাল, সিলেট ও কুমিল্লার এই হাসপাতালগুলো বছরের পর বছর ধরে ব্যবহার করা হচ্ছে না। বিষয়টি জানার পর প্রধানমন্ত্রী জরুরি ভিত্তিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠকে বসেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী দ্রুত এই হাসপাতালগুলো পরিদর্শন করে চালু করার নির্দেশ দেন এবং আগামী ২ জুনের মধ্যে এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দিতে বলেন। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি এই তথ্য জানান।
বৈঠকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালটি আংশিকভাবে চালু রয়েছে বলে জানা যায়। প্রধানমন্ত্রী এই ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালটিকে পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর নির্দেশ দেন। এছাড়াও, রাজধানী ঢাকার শাহবাগে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল এবং অন্যান্য হাসপাতালগুলো দ্রুত চালু করতে বলেন। পাশাপাশি, ১ হাজার শয্যাবিশিষ্ট নীলফামারীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতালের কাজ ত্বরান্বিত করার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে চীনা দূতাবাসকে সম্পৃক্ত করে দ্রুত পদক্ষেপ নিতেও নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। প্রকল্পটি বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ, যেখানে প্রতিটি জেলায় আধুনিক 'সেকেন্ডারি স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট' প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী জানান, “উত্তরবঙ্গের প্রায় ২ কোটি মানুষের বসবাস, যেখানে দারিদ্র্য, স্বাস্থ্যসেবার অভাব এবং দক্ষ জনবলের ঘাটতি রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতালটি একটি আঞ্চলিক রেফারেল সেন্টার হিসেবে কাজ করবে এবং জটিল রোগের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করবে।” তিনি আরও বলেন, উত্তরাঞ্চলে উন্নত চিকিৎসা সেবা সম্প্রসারণ একটি সময়োপযোগী এবং কৌশলগত পদক্ষেপ।।
পদোন্নতি নিয়ে অচলাবস্থা: বরিশালে উপাচার্যকে ‘অস্বীকৃত’ ঘোষণা, বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্পূর্ণ কর্মবিরতি