Published : 11 May 2026, 03:06 PM
কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় একটি গ্রামীণ রাস্তা নির্মাণের জেরে ভয়াবহ সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে এক ব্যক্তি প্রাণ হারিয়েছেন। গত শুক্রবার রাতে তুলাতুলি গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ইউনিয়ন যুবলীগের এক নেতা உட்பட ১৫ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহত দেলোয়ার হোসেন মৃধা ছিলেন আবদুর রহমান মৃধার পুত্র। তাঁর বড় ভাই আবদুল বাতেন মৃধা, যিনি মুক্তপাঠ পত্রিকার একজন প্রতিবেদক, মেঘনা থানায় মামলাটি করেছেন। মামলায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং আরও আট থেকে দশজন অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।
মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম জানান, রাস্তা নির্মাণের বিরোধের সূত্রেই দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে, যাতে একজন নিহত এবং চারজন আহত হন। নিহতের ভাই থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নিহত দেলোয়ারের বড় ভাই আবদুল বাতেন মৃধা চন্দনপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নাছির উদ্দিনকে তাঁর ফসলের জমির ওপর দিয়ে রাস্তা না বানিয়ে পাশ দিয়ে করার অনুরোধ করেছিলেন। মো. নাছির উদ্দিন এতে রাজি হননি। স্থানীয় মাতব্বররা বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করেন, কিন্তু নাছির উদ্দিন তাঁদের কথা শোনেননি। ঘটনার রাতে, দেলোয়ার ও তাঁর ভাই পুরোনো বাড়ি থেকে নতুন বাড়িতে যাচ্ছিলেন।
পথে ওঁৎ পেতে থাকা নাছির উদ্দিন ও তাঁর সহযোগীরা তাঁদের উপর হামলা করে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করেন। স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। দেলোয়ার হোসেনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়, যেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এই হামলায় ইউপি সদস্য নাছির উদ্দিন (৪৮), তাঁর স্ত্রীর বড় ভাই আবদুল হালিম (৫০) এবং রঘুনাথপুর গ্রামের আবদুল আজিজ (৪৫) আহত হন। তাঁদেরও মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে, এবং আবদুল আজিজের অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।।
পদোন্নতি নিয়ে অচলাবস্থা: বরিশালে উপাচার্যকে ‘অস্বীকৃত’ ঘোষণা, বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্পূর্ণ কর্মবিরতি